আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্কটল্যান্ডবাসী যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করতে চায়। এজন্য রাজধানী এডিনবরার রাজপথে হাজার হাজার মানুষ নেমে এসেছে। তারা সবাই স্বাধীনতার পক্ষের প্রচারকর্মী।
আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় গণভোটে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এসব নাগরিক স্বাধীনতাকামী। ।
হ্যাঁ, ভোটের পক্ষে সর্বত্রই পতাকা, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও বড় বড় স্ক্রিন সজ্জিত রয়েছে। এতে লেখা ‘ইয়েস স্কটল্যান্ড’।
এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনসহ ব্রিটেনের নেতারা যুক্তরাজ্য থেকে আলাদা না হতে স্কটল্যান্ডবাসীর প্রতি শেষ মুহূর্তের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার এডিনবরায় ক্যামেরন বলেন, ‘আমি আমার দেশকে আমার দলের চেয়ে বেশি ভালোবাসি।’
তবে এ নিয়ে চাপে আছেন তিনি। স্কটল্যান্ড স্বাধীন হয়ে গেলে নিজ দলের বিরোধীরা ক্যামেরনকে পদত্যাগে বাধ্য করাতে পারেন।
সম্প্রতি এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৪৭ ভাগ স্কটিশ স্বাধীন স্কটল্যান্ড চায়।
ডেইলি রেকর্ড পত্রিকার এক জরিপে অংশ নেওয়া স্কটিশদের ৪৩ ভাগ স্বাধীন দেশের পক্ষে ভোট দেবে না বলে মত দিয়েছে। অপর ১০ শতাংশ বলেছে, তারা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
এদিকে বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এ নিয়ে স্কটল্যান্ডের গণভোট নিয়ে কোনো কথা বলবেন না। এ বিতর্কে জড়াতে চান না রানী।
রাজ প্রসাদের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রানীর কোনো কথায় গণভোট প্রভাবিত হোক তিনি তা চান না।
এদিকে ৩০০ বছরের পুরনো ইউনিয়নের ভাঙন ঠেকাতে প্রচারণা চালাতে বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে স্কটল্যান্ডে গিয়েছেন ক্যামেরন।
এর আগে ডেইলি মেইল পত্রিকায় এক নিবন্ধে তিনি স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতাকে ‘অন্ধকারে ঝাঁপ দেওয়ার শামিল’ বলে হুঁশিয়ার করেছেন।
ক্যামেরন লেখেন, ‘যুক্তরাজ্য খুবই মূল্যবান ও বিশেষ দেশ। তবে দেশটি এখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে।
তিনি ক্যামেরন বলেছেন, যুক্তরাজ্য একবার ভেঙে গেলে তা চিরদিনের জন্যই ভেঙে যাবে।
সূত্র : বিবিসি