সিসি নিউজ: পারিবারিক সালিশকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউপি কার্যালয়ের দরজা-জানালা, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙ্গচুর করেছে সালিশে অংশ নেয়া লোকজন। শুক্রবার রাতের এ ঘটনায় পরিষদের প্রায় সোয়া লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি চেয়ারম্যানের।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খালিশা চাপানী ইউনিয়নের ডালিয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে সামিনুর রহমানের (৩৫) সাথে একই গ্রামের তমিজ উদ্দিনের মেয়ে বিজলী আক্তারের (৩০) বিয়ে হয় ১৩ বছর আগে। দাম্পত্য জীবনে তাদের চার ছেলে মেয়ে রয়েছে। কিছুদিন থেকে সামিনুর ও বিজলীর মধ্যে দাম্পত্য সমস্যা দেখা দিলে তারা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নালিশ জানায়। শুক্রবার রাতে ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামসুল হুদা ও সাবেক চেয়ারম্যান ময়নুল হকসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসেন। সালিশের এক পর্যায়ে সামিরুলের বাবা মজিবর রহমান বিজলীর বাবার দিকে চেয়ার ছুড়ে মারলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসময় ইউপি কার্যালয়ের কম্পিউটার, প্রজেক্টর, চেয়ার, টেবিল, দরজা, জানালাসহ অন্যান্য ভাঙ্গচুর করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভাঙ্গচুরের ঘটনায় পরিষদের প্রায় এক লাখ ২২ হাজার পাঁচশত টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঐ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনকে আসামী করে মামলার প্রস্ততি চলছে।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সিসি নিউজকে জানান, এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।