• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জাতিসংঘের সাথে সম্পর্ক আরো উচ্চতায় নিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

Hasinaসিসিনিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা আরো সামনের দিকে তাকাতে চাই। মাত্র ১০ বছর পরেই আমরা জাতিসংঘের সাথে আমাদের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করব। এ সময়ের মধ্যে জাতিসংঘের সাথে আমাদের সম্পর্ককে আরও গভীর ও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ স্মারক অনুষ্ঠানে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বক্তৃতার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘে ৪০ বছরের পথ-পরিক্রমায় আমাদের অনেক অর্জন রয়েছে। এর কোনটিই অনায়াসে হয়নি। যখনই আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এসেছি, জাতিসংঘের সাথে আমাদের যোগাযোগ ও সম্পর্ককে সুদৃঢ় করেছি। যা পারস্পরিক ব্যবধান কমিয়ে এনেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য অর্জনে আমরা জাতিসংঘকে আমাদের পাশে দেখতে চাই।

তিনি বলেন. স্বাধীনতার পর জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে দেশের পুনর্গঠনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা ছাড়া তাঁর এ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

আর এ জন্য জাতিসংঘের সদস্যপদ অর্জন ছিল অপরিহার্য। দেশের বাইরে তখনও আমাদের দূতাবাসগুলো ভালভাবে চালু হয়নি। সে অবস্থায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিলাভের জন্য জাতির পিতা বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ও তৎকালীন বিশ্বনেতাদের সমর্থন আদায়ের পদক্ষেপ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার পররাষ্ট্র নীতির আদর্শই আমাদের “শান্তির সংস্কৃতি ও সহিংসতা বিরোধী” নীতিতে সবসময় অবিচল রেখেছে। ১৯৯৭ সালে গৃহীত জাতিসংঘের এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের প্রতি আমরা দৃঢ় সমর্থন দেই। এ আদর্শের পথ ধরেই আমাদের নারী-পুরুষ বিশ্বের সংঘাত-সঙ্কুল এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভাষা বৈচিত্র্য রক্ষা ও মাতৃভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে বিশ্ববাসী আজ যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করছে- সে অর্জন এসেছে জাতির পিতা প্রদর্শিত পথ ধরেই।

পরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকেট উন্মোচন করেন। এছাড়া দিবসটি সামনে রেখে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রতিবন্ধী শিশু কিশোরদের ছবি আকার প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। আয়োজনের একেবারে শেষে শিশু একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী ও অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জাতিসংঘ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ ও ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নিল ওয়াকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ