দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরলে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষনের শিকার এক ছাত্রী বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। থানায় এজাহার দেয়ার পরও মামলা রেকর্ড না হওয়ায় চরম শংকার মধ্যে দিনাতিপাত করছে ধর্ষিতাসহ পরিবারের লোকজন।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিরল উপজেলার পৌর এলাকায় সৃজনশীল কোচিং সেন্টারে এক ছাত্রীর সাথে ওই কোচিংয়ের শিক্ষক রশিদুল ইসলাম জনি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক স্থানে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ওই ছাত্রী বিয়ের কথা বললে বিভিন্ন রকমের টালবাহানা শুরু করে কোচিংয়ের শিক্ষক রশিদুল। পরে ঘটনাটি তার পরিবারের লোকজনের জানালে প্রথমে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে অস্বীকার করে।
কোচিং সেন্টারের পরিচালক মানিক, শিক্ষক আব্দুল হামিদ, সোহাগ-এর আশ্রয় নেয় ধর্ষক শিক্ষক রশিদুল। পরিচালক মানিক, ধর্ষক রশিদুলসহ অন্যান্য শিক্ষকরা ছাত্রীকে বাড়াবাড়ি না করার জন্য বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে কোচিংয়ে আসতে বাঁধা করে। অসহায় ওই ছাত্রী স্থানীয়ভাবে কোন সুরাহা না পেয়ে নিজে বাদী হয়ে ধর্ষক শিক্ষক রশিদুল ইসলাম জনিকে প্রধান আসামী করে সহযোগি আসামী হিসেবে কেচিংয়ের পরিচালক মানিকসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে গত সপ্তাহে বিরল থানায় একটি এজাহার দাখিল করে। এজাহার দাখিলের পর আসামী পক্ষের লোকজন ধর্ষিতা ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়ায় চরম শংকার মধ্যে দিনাতিপাত করছে পরিবারটি।
এ ঘটনায় এলাকার অভিভাবক মহলে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন অভিভাবক মহল কোচিংয়ের লম্পট শিক্ষক রশিদুল ইসলাম জনি ও পরিচালক মানিকসহ সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন।