• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নিবন্ধন পেল না বাকশাল

image_99280_0সিসি নিউজ: বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা বাকশালকে নিবন্ধনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার ইসির সংশ্লিষ্ট শাখার সহকারী সচিব রওশন আরা বেগম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বাকশালের মহাসচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে দলটিকে জানানো হয়, এখন নিবন্ধন দেয়ার সুযোগ নেই। যখন ইসি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে তখন তারা আবেদন করেতে পারবে।

শর্ত অনুযায়ী, পুরনো দলের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার পর যে কোনো নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে একটি আসন পেলেই নিবন্ধনযোগ্য বিবেচিত হয়। একটি আসন পেতে ব্যর্থ হলেও নির্বাচনে অংশ নিয়ে অন্তত ৫ শতাংশ ভোট পেলেও তারা নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্য বলে গণ্য হবে। কিন্তু নতুন দলের ক্ষেত্রে দেশের এক-তৃতীয়াংশ জেলা (২১টি) ও ১০০টি উপজেলার সক্রিয় শাখা কার্যালয় থাকতে হবে এবং এসব উপজেলায় দলের পক্ষে অন্তত ২০০ ভোটারের সমর্থনসহ দলিল প্রমাণ জমা দিতে হবে।

সম্প্রতি বাকশালের মহাসচিব জহিরুল কাইয়ুম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কাছে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত আব্দুর রাজ্জাক বাকশালের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি পুনরায় বাকশাল উজ্জীবিত করেন। সে সময় ১৯৯১ পর্যন্ত তিনি নেতৃত্ব দেন। এরশাদের পতন হলে রাজ্জাক আবার বাকশালের বিলুপ্তি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এই সময়ের মধ্যে ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ৩ জন এবং ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী বাকশালের হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়ার শুরুতে বাকশাল আবেদন করলেও এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন কমিশন তাদের নিবন্ধন দেয়নি। আমাদের এখন একটাই লক্ষ্য, পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা।

শরিফ মুহাম্মদ আমিরুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে বাকশালের ১২৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাহী কমিটি রয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনের পর ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সব দল নিষিদ্ধ করে বাকশাল গঠন করেন শেখ মুজিবুর রহমান। ওই বছরের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বাকশালের বিলোপ ঘটলেও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক ১৯৮৩ সালে দলটি পুনরুজ্জীবিত করেন। তবে ১৯৯১ সালে দলটি পুনরায় আওয়ামী লীগে একীভূত হয়। সূত্র: আইআরআইবি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ