লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর এলাকায় বিয়ের ৩দিন পর স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজনের উপর অভিমান করে হৃদয় মিয়া(২৫) নামের এক হোটেল শ্রমিক আত্মহত্যা করেছে।
হৃদয় মিয়া লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মোচারপুর এলাকার ভোলা মিয়ার ছেলে।
জানাগছে, হৃদয় মিয়া লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মোচারপুর এলাকার ভোলা মিয়ার ছেলে। তিনি গত ৪/৫ বছর আগে বাড়ীর লোকজনের সাথে রাগারাগি করে বুড়িমারীতে বসবাস করছিলেন। আত্মনির্ভলশীল হওয়ার জন্য সেখানে স্থানীয় বেলাল হোসেনের চায়ের দোকানে শ্রমিকের কাজ নেন। গত তিন আগে হৃদয় মিয়ার ওই এলাকার ভোলা মিয়ার কন্যা ফাতেমা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়। গত রোববার রাতে হৃদয় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজনের উপর অভিমান করে কীটনাশক পান করলে তাকে পাটগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যু হয়।
হৃদয়ের শ্বশুর ভোলা মিয়া ও তার স্ত্রী ফাতেমা জানান, গত শনিবার(২০-সেপ্টেম্বর) বুড়িমারী বাজারের পাশ্ববর্তী আতোয়ার রহমানের জমিতে ঘর তুলতে চায় হৃদয়। এ নিয়ে হৃদয়ের সাথে কথা হয়। কিন্তু কেন সে বিষপান করে আতœহত্য করেছে তা আমরা জানি না ।
পাটগ্রাম হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আবু মুসা বলেন, হৃদয় অতিরিক্ত কীটনাশক পান করার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে।
পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হৃদয় মিয়ার লাশ সোমবার সকালে হাসপাতাল থেকে থানায় আনা হয়েছে ও দুপুরে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে লাশের ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
পাটগ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের উফারমারা এলাকার নুরনবী (২৫) নামের এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
নিহত নুরনবী পাটগ্রাম উপজেলার উফারমারা এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে।
নিহতের বাবা মোজাম্মেল হক জানান, নুরনবী রোববার রাতে বাড়ীতে বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ করার সময় অসাবধানতা বশত তারে জড়িয়ে গেলে প্রধান সুইস বন্ধ করার আগেই ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে তাকে পাটগ্রাম হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে লাশ বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়। সোমবার আছরের নামাজ বাদ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছির উদ্দিন আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পারিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় বলা হয়েছে তাই ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ সোমবার আছরের নামাজ বাদ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের পারিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।