সিসি ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের (সিপিএ) নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের মাধ্যমে গণতন্ত্র, সুশাসন, আইনের শাসন এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা সম্ভব।
তিনি বৃহস্পতিবার ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউন্দে’তে সিপিএ’র জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে বক্তৃতাকালে একথা বলেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা বলা হয়।
স্পিকার বিশ্বায়নের এ যুগে পৃথিবীর সকল বহুপাক্ষিক বিষয়বস্তুর সঙ্গে সিপিএকে অধিক সম্পৃক্ত করে সিপিএভুক্ত দেশসমূহের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্পিকার বলেন, দারিদ্র বিমোচন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার হ্রাস, জেন্ডার সমতা নিশ্চিতকরণ, নারীর প্রতি সহিংসতারোধ, দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস ও ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোসহ সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংসদ সদস্যদের বিশেষ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে সংসদ সদস্যগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছি। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদেরকে নবতর পথ খুঁজে বের করে তার প্রয়োগ ঘটাতে হবে। সিপিএ এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
গতকাল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তিন বছর মেয়াদে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) চেয়ারপার্সন পদে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ এবারই প্রথম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সিপিএ’র চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কেইম্যান আইল্যান্ডসের লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার জুলিয়ানা ও’ কনর-কন্নোলি।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সিপিএ’র চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো: ফজলে রাব্বী মিয়া এবং চিফ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।