সিসি নিউজ: নীলফামারীর ডিমলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক কর্তৃক দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসী শ্লীলতাহানির শিকার ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ডিমলা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সোমবারের এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর ধর্ষক শিক্ষক পালিয়ে গেছে। মঙ্গলবার ধর্ষিতার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।
শ্লীলতাহানির শিকার ছাত্রীর পরিবার সূত্র মতে, ডিমলা উপজেলার দোহলপাড়া গ্রামের মনিরুজ্জামানের মেয়ে এবং পশ্চিম খড়িবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ওই ছাত্রী প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে সে বিদ্যালয়ের অংক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। পথে পশ্চিম খড়িবাড়ি গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে গয়াবাড়ী ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সেলিম ওসমানী (২৮) তার পথরোধ করে জোর পূর্বক তার বাড়িতে ধরে নিয়ে যায়। তখন বাড়িতে সে ছাড়া কেউ ছিল না। এরপর ছাত্রীটির মুখ ও হাত বেঁধে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে লম্পট শিক্ষক পালিয়ে যায়। পরে এলাকার লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক কর্মকর্তা ডাঃ অনুপ কুমার রায় জানান, ধর্ষিতার এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্থানান্তরিত করার জন্য ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। রাতে মেয়েটির পিতা মনিরুজ্জামান সরকার বাদী হয়ে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেছে। মঙ্গলবার নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালের ধর্ষিতার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। নীলফামারীর সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানায়, উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী জানান, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে। মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষা করা হয়েছে।