• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীর কৃষকদের মাঠে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-৬২ ধান

NIlphamari Photo-2সিসি নিউজ: মানবদেহে জিংকের ঘাটতি মেটাতে কৃষিতে এবার যুক্ত হয়েছে জিংক সমৃদ্ধ ধান। নীলফামারীতে বুধবার সকালে এমন জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-৬২ জাতের ধানের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আরডিআরএস বাংলাদেশের আয়োজনে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই দিবসটি অণুষ্ঠিত হয়।
মাঠ দিবসে উদ্যোক্তারা জানান, বাংলাদেশে পাঁচ বছর বয়সের নীচে ৪০ ভাগ শিশু অপুষ্টিতে ভূগছে। এসব শিশুর ৪৪ ভাগ ভুগছে জিংক স্বল্পতায়। অপরদিকে প্রায় ৬০ ভাগ মহিলা জিংক স্বল্পতাজনিত রোগে ভূগছে। জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষের ব্যাপকতা বাড়লে এর ভাত খেয়ে খুব সহজে  জিংকের সে ঘাটতি পুরণ সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে কুন্দুপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আব্দুল ওয়াজেদ, অতিরিক্ত পরিচালক (শস্য) আফতাব হোসেন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রশিদুল ইসলাম, আরডিআরএস বাংলাদেশের কর্মসূচী সমন্বয়কারী খম রাশেদুল আরেফিন, কৃষি ও পরিবেশ সমন্বয়কারী মামুনুর রশিদ, কৃষক অবিনাস চন্দ্র রায়, অমল চন্দ্র রায় প্রমুখ।
আরডিআরএস বাংলাদেশ হারভেষ্টপ্লাস চ্যালেঞ্জ প্রোগ্রামের আওতায় জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষের জন্য নীলফামারী জেলায় কাজ শুরু করেছে এবং এবারের আমন মৌসুমে ২০০ জন কৃষকের জমিতে জিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান ৬২ এর  প্রদর্শনী  প্লট স্থাপন করেছে  বলে জানানো হয় ওই অনুষ্ঠানে।
আরডিআরএস বাংলাদেশের কর্মসূচী সমন্বয়কারী খম রাশেদুল আরেফিন জানান, জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-৬২ জাত ধানের হেক্টর প্রতি গড় উৎপাদন ৪ দশমিক ২মেট্রিকটন। মাত্র ৯৪ দিনে এ ধান ঘরে উঠানো সম্ভব। আর আগাম ফসল কাটায় ওই জমিতে ষড়িষা, আলুসহ অন্যান্য শাকসব্জি আবাদ করা যায়।
কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল ওয়াজেদ বলেন, ব্রিধান-৬২ জাত স্বপ্লমেয়াদি জিংক সমৃদ্ধ ধান। যা ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে কর্তন করা যায়। এ ধান চাষ করলে কৃষক একই জমিতে সহজে তিন ফসলের পরিবর্তে  চার ফসল করতে পারবে। ফলে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি পাবে এবং পুষ্টির চাহিদা পুরণ করবে।
জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষের মাধ্যমে জেলায় খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। আগামীতে জেলায় জিংক সমৃদ্ধ ধান ব্যাপকভাবে চাষের জন্য  আহবান জানন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ