পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: মাছ ধরার ঘটনাকে কেন্দ্র্র করে আপন ছোট ভাইকে হত্যা করে রেললাইনে ফেলে রেখে হত্যাকান্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর ২১ দিন পর ময়না তদন্তের রিপোর্টে ট্রেনে কাটার পূর্বে হত্যার প্রমান পাওয়া যায়। ফলে নিহতের অন্তস্বত্ত্বা স্ত্রী লাইলী বেগম বৃহস্পতিবার তার ভাসুর জানে আলম (৪৫) ও বাবু মিয়া (২৮)সহ ১০ জনকে আসামী করে পার্বতীপুর রেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার জয়রামপুর গ্রামে মুশফিকুর রহমানের সাথে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে তার বড় ভাইয়ের বিবাদ চলছিল। বিবাদকে কেন্দ্র করে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে মুশফিকুর তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিরামপুর থানায় মামলাও করে। মামলার পর রাতেই মুশফিকুর নিখোঁজ হলে পর দিন ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় পার্বতীপুর হিলি রেলপথের ওড়না পুকুর নামক স্থান থেকে রেল পুলিশ ট্রেনে কাটা যাওয়া অবস্থায় মুশফিকের লাশ উদ্ধার করে।
এব্যাপারে পার্বতীপুর রেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম লুৎফর রহমান বলেন, রেল পুলিশ মুশফিকুরের লাশ উদ্ধার করে সেই সময় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছিল। ময়না তদন্তে হত্যার প্রমান মেলায় নিহতের স্ত্রী হত্যা মামলা দায়ের করেছে।