• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্রেমের ফাঁদ, অপহরণকারী চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার

Hand Cupরাজশাহী: রাজশাহীতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে নারীসহ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে নগরীর নওদাপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় এ ঘটনার শিকার আব্দুর রশিদ নামের এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়।

আব্দুর রশিদের বাড়ি জেলার মোহনপুর উপজেলার বেড়পাড়ায়। এ ঘটনায় ওই রাতেই শাহমখদুম থানায় মামলা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সুমন (২৮), মিলন (২৫), সোহাগ (২০), রুবেল (২৫), রানী (৪৫), বৃষ্টি (২০) ও  সুমি (২০)। এরা নগরীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিলো তারা।

এছাড়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে মোবাইল বা ক্যামেরায় গোপন ছবি ধারণ এবং পর্ণ ছবি তৈরি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতো তারা। শাহ মখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদুর রহমান ভুঁইয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে শনিবার দুপুরের দিকে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহ মখদুম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি ওই চক্রের নারী সদস্যরা মোবাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন আব্দুর রশিদের বন্ধু আলমকে।

পরে দেখা করার জন্য আলমকে নওদাপাড়ায় ডাকা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় আলম তার বন্ধু আব্দুর রশিদকে সঙ্গে নিয়ে কথিত প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে নওদাপাড়ায় আসলে তাদের আটকে রাখা হয়। এসময় মুক্তিপণ হিসেবে এক লাখ টাকা দাবি করে ওই চক্রের সদস্যরা। অবশেষে ৩০ হাজার টাকায় সমঝোতা  হয়।

পরে টাকা পৌঁছে দেয়ার জন্য ছেড়ে দেয়া হয় আলমকে। ছাড়া পেয়ে আলম তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।

পরে থানায় জানানো হলে ওই রাতেই সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে নারীসহ ওই চক্রের সাত সদস্যকে আটক করে পুলিশ। আর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় আব্দুর রশিদকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ