• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

যেসব কারণে বিয়েতে নারীদের অনাগ্রহ

imagesলাইফস্টাইল ডেস্ক : সমাজের অন্য নিয়মের মতো বিয়েকেও একটি নিয়মের মধ্যেই ধরা হয়। এটি একটি ধর্মীয় ব্যাপার। বিয়ে না করলে অনেককে সমাজচ্যুতও করা হয়।

কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেক নারী বিয়ের কথা শুনলেই অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা থাকতে চান একাকী। এ ব্যাপারে তাদের ভাবনা হলো, বিয়ে পেশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক, থাকতে হয় অনুগত ও ঘরকুনো হয়ে এবং সর্বোপরি ব্যাহত হয় স্বাধীনতা। আবার উল্টো চিত্রও কিন্তু আছে। কোনো কোনো নারী কিন্তু আবার বিয়ের জন্যও পাগল।

কেন বিয়ে করবেন বা কেনই বা বিয়ে করছেন না, এ প্রশ্নের উত্তরে অনেক নারী বলেছেন, বিয়ে করলে সংসারে পুরুষের অনুগত্যে থাকতে হয়। তাই স্বাধীনচেতা নারীর জন্য বিয়ে নয়। এই নারীরা বাইরের জগতে যেতে চান এবং নতুন নতুন কাজের সুযোগ খুঁজে নিতে চান। তারা ঘরকুনো হয়ে থাকতে চান না। তাই তারা বিয়েও করতে চান না।

কিন্তু নববধূ মল্লিকা জেইন বিয়ের ব্যাপারে কখনই নার্ভাস ছিলেন না এবং এ নিয়ে কখনই দ্বিধার মধ্যেও ছিলেন না। তিনি বলেন, ‘বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার শুরুতে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলাম। কিন্তু আবার নতুন জীবনে প্রবেশের জন্য আগ্রহীও ছিলাম।’

তার অনেক বন্ধু বিয়ের বিরোধী এবং স্বাধীনভাবে থাকতে চান। বন্ধুদের উদ্দেশ্যে মল্লিকা বলেন, ‘বিয়ে করলেই যে পরাধীন হবে, সব সময় তা কিন্তু নয়। কিন্তু তারা বিয়ের কথা শুনতে একেবারেই নারাজ।

মা-বাবার মধ্যকার খারাপ সম্পর্ক নারীদের বিয়ে না করতে উত্সাহী করে। নিজেদের দাম্পত্য জীবনেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে ভেবে অনেকে শঙ্কিত। এ প্রসঙ্গে কারও কারও বক্তব্য, ‘আমার মা-বাবার সম্পর্ক যদি এই হয়, তবে আমার বিয়ের দরকার কী?’

এ প্রসঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক গবেষক নিরাল শাহ বলেন, চারপাশে অহরহ বিয়ে বিচ্ছেদ দেখে অনেক নারী বিয়েতে অনাগ্রহ দেখান। আবার কোনো কোনো নারী সংসার বা সন্তানের দায়িত্ব নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘তবে প্রচলিত একটি ধারণা আছে যে নারীদের বিয়ের প্রয়োজন আছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটাই সত্যি

২৩ বছর বয়সী অঞ্চনা দামোধরন কাজ করেন একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থায়। তিনি তার কাজ ও পেশাকে ভালোবাসেন এবং সৃজনশীলতা দিয়ে তিনি এগিয়ে যেতে চান।

বিয়ের ব্যাপারে অঞ্চনার মত হলো, ‘এটা সময়, শক্তি ও অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।’ তিনি আরও বলেন,  বিয়ে করতে গিয়ে পেশাকে বিদায় জানাতে হয়। বিয়ে স্বাধীনতাকে পরাধীন করে দেয়। তাহলে বিয়ে করার কোনো মানে হয় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ