• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

অগ্রণী ব্যাংকের চার কর্মকর্তার কারাদণ্ড

Adalotঢাকা: প্রতারণামূলকভাবে অগ্রণী ব্যাংকের  ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় চার কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

সোমবার ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক হোসনে আরা বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মোহাম্মদ উল্লাহকে দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, সলিমুল্লাহকে সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড,, সারোয়ার হোসেন ও জুলফিকার আলীকে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ডসহ প্রত্যেকতে ১৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত।
একমাত্র আসামি রাবেয়া রহমানকে মামলার দায় থেকে খালাস দেয়া হয়েছে।

রায়ে বলা হয়, রাবেয়া রহমান অগ্রণী ব্যাংকের গ্রীনরোড শাখায় একটি হিসাব খোলেন। কিন্তু তিনি এই হিসাবে কোনোদিন লেনদেন করেননি। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তা এই হিসাব ব্যবহার করে ১৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকা অগ্রণী ব্যাংকের প্রতারণামূলক আত্মসাত করেন। এজন্য রাবেয়া রহমানকে এ মামলার দায় থেকে খালাস দেয়া হয়।

রাবেয়া রহমান ছাড়া সব আসামিই অগ্রণী ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। আসামিদের মধ্যে মোহাম্মদ উল্লাহ ও সলিমুল্লাহ পলাতক আছেন। অপর তিন আসামি রায়ে ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন।

মামলা থেকে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মামলার প্রধান আসামি রাবেয়া রহমান অগ্রণী ব্যাংকের গ্রীনরোড শাখায় একটি হিসাব খোলেন। এরপর তার অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকের অপর কর্মকর্তাদের সহায়তায় তিনি বিভিন্ন সময় ১০ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেন।  এ ছাড়াও আসামি রাবেয়া অপর আসামিদের সহায়তার জিয়াউল আলম নামে একটি ভুয়া ঋণ মঞ্জুরিপত্র তৈরি করে আরো সাত লাখ ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেন।

এভাবে ব্যাংকের মোট ১৮ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুদকের সহকারী পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক ২০০৪ সালের ৩০ জুন ধানমন্ডি থানায় এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

একই ধরনের অপরাধে আসামিদের নামে আরো ২৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তার মধ্যে বর্তমানে ১৭ মামলা বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন আছে।

২০১১ সালের ১৯ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটের ৮ সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির স্পেশাল পিপি মো. কবির হোসাইন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ