• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বাচ্চাদের কাশি

kasiস্বাস্থ্য ডেস্ক: শ্বাসতন্ত্র থেকে শ্লেষ্মা, অস্বস্তিকর পদার্থ এবং সংক্রামক জীবাণুদের বের করে দিয়ে কাশি প্রকৃতপক্ষে শরীরের রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে। এর ফলে শ্বাসতন্ত্রে শ্লেষ্মা এবং অন্যান্য তরল জমতে পারে না। শ্বাসতন্ত্রের যত উপসর্গের জন্য মানুষ ডাক্তারের কাছে যায়, তাদের মধ্যে কাশি এক নম্বর। কাশি হওয়া মানেই যে আপনার সন্তান অসুস্থ, এ কথা সব সময় সত্যি নয়। স্বাভাবিক শিশুরাও দিনে ১ থেকে ৩৪ বার কাশতে পারে এবং এ কাশির পালা চলতে পারে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত। তবে রাতে ঘুমের মধ্যে কাশি হলে তাকে সব সময়ই অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য করতে হবে। তখন দরকার ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া। শিশু এবং বড়দের কাশি ও চিকিৎসার মধ্যে যেমন কিছু সাদৃশ্য আছে তেমনই কিছু বৈসাদৃশ্যও রয়েছে। শিশুদের কাশি দু’রকম হতে পারে। একিউট কাশি (মেয়াদকাল এক থেকে দুই সপ্তাহ) এবং ক্রনিক কাশি (মেয়াদকাল চার সপ্তাহের বেশি)।
চিকিৎসা
ভাইরাসজনিত কাশির ক্ষেত্রে সচরাচর কোনো ওষুধের প্রয়োজন হয় না। এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে এমনিতেই এ কাশি সেরে যায়। দীর্ঘস্থায়ী কাশির ক্ষেত্রে প্রথমেই খুঁজে বের করতে হবে কাশির অন্তর্নিহিত কারণ। অ্যাজমা, রাইনাটিস, সাইনোসাইটিস, অন্ত্রের সমস্যা_ এগুলোর যে কোনোটি কাশির কারণ হতে পারে। গুয়াইফেনেসিন জাতীয় কফ সিরাপ প্রয়োগে তেমন ফল পাওয়া যায় না। ডেঙ্ট্রোমেথরফেন জাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করা যেতে পারে, তবে খুব ভালো ফল পাওয়া যায় না। যেসব সিরাপের মধ্যে কোডেইন থাকে সেগুলো বেশ কার্যকর। তবে এ জাতীয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব বেশি। তাই বেশি দিন ধরে এ ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।
সারকথা হচ্ছে, দীর্ঘস্থায়ী কাশির মূল কারণ খুঁজে বের করে তার চিকিৎসা করতে হবে। যদি কাশির ধরন পরিবর্তিত হতে থাকে, যদি ওষুধে কোনো ফল না হয়, যদি কাশির সঙ্গে রক্ত আসতে থাকে অথবা যদি কাশির কারণে রাতে নিদ্রার ও দিনে কর্মের ব্যাঘাত ঘটতে থাকে, তাহলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
তিন থেকে চার সপ্তাহ বা তার অধিক সময়ব্যাপী কাশি থাকলে।
কাশির সঙ্গে যদি হাঁপানির টান থাকে এবং দীর্ঘস্থায়ী কাশির সঙ্গে যদি নাক ও সাইনাসের রোগ থাকে। তবে দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ