• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দ্বন্দ্বের জের: ডোমার মাহিগঞ্জ স্কুলে তালা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা

22.10.14  picture-1 mahigong schoolডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে মাহিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে আজ বুধবার দুপুরে তালা লাগিয়েছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,শিক্ষক- কমিটি-অভিভাবক দ্বন্ধে দীর্ঘদিন ধরে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীদের জীবন  নষ্ট হচ্ছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ে সবসময় উত্তেজনা বিরাজ করলেও প্রশাসন কোন সুরাহা করতে পারছেনা ।
সরেজমিনে জানা গেছে,উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নে মাহিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে আজ বুধবার দুপুরে ক্লাস না হওয়া ও শিক্ষকদের অসৌজন্য মুলক আচরনের অভিযোগে সকল ক্লাস রুমে তালা লাগিয়েছে শিক্ষার্থীরা ।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান,স্যাররা স্কুলে যখন-তখন আসেন  চলে যান ,ক্লাস না করে বসে থাকেন,বিড়ি খান,ক্লাসের কথা বললে অসৌজন্যমুলক আচরন করেন ,এ ভাবে শত শত শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট হচ্ছে ।আমরা এর প্রতিকার চাই ।
সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম জানান.হোসাইন,জামিদুল,মাহমুদুল হাচান, মিঠুনসহ কয়েকজন ছাত্র  বেলা বারটায় ঝাড়–দারের(পিয়ন) নিকট থেকে চাবির গোছা জোরপূবর্ক কেড়ে নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের টানা হেচড়া করে বের করে দেয় ।শিশুরা বাধা দিলে তারা তাদের উপর চড়াও হয় । সম্মান বাচানোর জন্য আমরাও বের হয়ে আসি ।ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দাবীদার কোহিনুর ইসলাম শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রায় ১৬/১৭টি মামলা করেছে ।সেই বাচ্চাদের লেলিয়ে দিয়ে ক্লাসরুমে তালা লাগিয়েছে ।তার অসৎ আচরন ,ম্যানেজিং কমিটিকে লাঞ্ছিত, ক্লাস না নেওয়া ,সহ বহুবিধ কারনে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ম্যানেজিং কমিটি  ।
কমিটি কর্তৃক নিযুক্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র রায় জানান,বিধি মোতাবেক আমাকে কমিটি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করেছে ।কোহিনুর  ইসলাম তা মানছেন না ।গুটি কয়েক ছাত্র দিয়ে উনি পরিবেশ নষ্ট করছেন ।আমাদেও মোট শিক্ষার্থী ২৯১ জন  ।শিক্ষক ০৭ জন ।
এ ব্যাপারে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দাবী করে বলেন,আমিই প্রধান শিক্ষক ,বোর্ড ও জেলা শিক্ষা অফিসার আমকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালনে নির্দেশ দিয়েছে ।মুলত ১৯৯৯ সালে শিক্ষক নিয়োগ কে কেন্দ্র গন্ডগোলের সূত্রপাত হয় ।পরবর্তীতে কমিটি নির্বাচন ,ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে গন্ডগোল চলছেই ।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেহেনা বেগম মোবাইলে (০১৭১৪৫৯১০৩৪)জানান,শিক্ষক নিয়োগ কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া  গন্ডগোল এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নিয়ে চলছে ।মিটিং এ আছি পরে  বিস্তারিত কথা বলবো ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ