সিসি নিউজ: নীলফামারীতে কৃষকদের অংশগ্রহনে আকষ্মিক বন্যা সহনশীল ধানের জাত নির্বাচনে এক কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়ায় অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: কেরামত আলী।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরের আইএপিপি ব্রি’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কে এম ইফতেখারুদ্দৌলা’র সভাপতিত্বে কৃষক সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রংপুরের আইএপিপি ব্রি’র এসএসও বিষ্ণু পদ রায়, নীলফামারীর আইএপিপি’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সালেহ মোহাম্মদ শাহরিয়ার, বৈজ্ঞানিক সহকারী হাফিজুর রহমান, সাইফুল বারী ও হাবিবুল ইসলাম, ইউনিয়ন কমিউনিটি ফ্যাসিলেটের মো. সেলিম হোসেন, হাসিনুর রহমান ও আসাদুজ্জামান এবং কৃষক আলাউদ্দিন ও নুর ইসলাম।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরের পিএমআইএপিপি ব্রি’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কে এম ইফতেখারুদ্দৌলা বক্তব্যে বলেন, মূলত আজকের এ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে জল মগ্নতা সহনশীল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য কৃষকদের অংশগ্রহনে জাত নির্বাচনমূলক একটি সভা। তিনি বলেন ২০ জন পুরুষ ও ১০ জন মহিলা ভোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাত নির্বাচনে অংশগ্রহন করে। কৃষকের সর্বাধিক ভোটে ব্রি ধান ৪৯-সাব ১ একটি কৌলিক সারি নির্বাচিত হয়। তিনি বলেন, ব্রি ধান ৪৯-সাব ১ জাতের ধানটির এক নাগাড়ে ৩ সপ্তাহ জলে নিমজ্জিত থাকলে তা সহনশীল। এর দানা নাইজার শাইল ধানের দানার মতো সরু। এছাড়া ধানের মধ্যে চিটা, রোগবালাই ও পোকামাকড়ের উপদ্রব কম এবং বিআর-১১ জাতের ধানের এক সপ্তাহ আগাম জাত হিসেবে বিবেচিত। তিনি আরো বলেন, উক্ত সারিটি আইএপিপি প্রকল্প ব্রি অঙ্গের মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয়। কৌলিক সারিটি জাত হিসেবে অবমুক্ত করা হলে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং একটি গুণগত মানসম্পন্ন আমন ধানের জাত উদ্ভাবিত হবে।