• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পুলিশ পাহারায় হাজিরা খাতা স্বাক্ষর করে পালিয়ে এলেন অধ্যক্ষ

pic fulbari dinajpur 27-10-2014ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কারণে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বড়পুকুরিয়া বাজার এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করে খনি কর্তৃপক্ষ গত তিন বছর পূর্বে অধিগ্রহণ করলেও আজও স্থানান্তর করা হয়নি বড়পুকুরিয়া বাজারের ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বড়পুকুরিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, বড়পুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও বড়পুকুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এই সব শিক্ষালয়ে জীবনে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছেন শিক্ষার্থীরা ।
সোমবার বড়পুকুরিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ঝুঁকিমুক্ত এলাকা স্থানান্তর করার দাবীতে বড়পুকুরিয়া বাজারের বিক্ষোভ করছেন ওই এলাকার বাসীন্দারা। এলাকার বাসীর প্রতিরোধে মুখে কলেজে যেতে পারছেন না শিক্ষকেরা পুলিশের সহযোগিতায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে পালিয়ে আসলেন কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ।
সোমবার বড়পুকুরিয়া বাজারে গিয়ে দেখা যায় সকাল ১০টায় বড়পুকুরিয়া বাজার এলাকার বাসীন্দারা বিক্ষোভ মিছিল করে স্কুল এন্ড কলেজ ভবন ঘিরাও করে।এ সময় তারা কলেজে কর্মরত শিক্ষক শিক্ষার্থীকে কলেজে প্রবেশ করতে বাধা প্রদান করে। তাদের বিক্ষোভ ও অবরোধে কলেজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কলেজে প্রবেশ করতে না পারায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা মাধ্যমে বিক্ষোভ কারীদেরকে ফিরে দিলে কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহ কলেজে শিক্ষকরা হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে তারা তৎক্ষনাত ফিরে আসনে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ বড়পুকুরিয়া বাজারসহ এই এলাকাটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে গত ২০১২ইং সালে বড়পুকুরিয়া খনি কৃতপক্ষে এলাকাটির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ সহ জমিজমা অধিগ্রহণ করে। সে সময় বড়পুকুরিয়া বাজারে অবস্থিত ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বড়পুকুরিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, বড়পুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও বড়পুকুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জায়গা অধিগ্রহণ করে ওই প্রতিষ্ঠানগুলি পূনরায় নির্মাণের জন্য উপযুক্ত ক্ষতি পূরণ প্রদান করেন খনি কর্তৃপক্ষ কিন্তু ওই ক্ষতি পুরণের অর্থ বিদ্যালয়গুলির প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, ও সুপারিটেনডেন্ট সহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা অদৃশ্য কারণে ব্যাংকে রেখে নিজ কাজে ব্যবহার করছে। অথচ যে কোন সময় এই ভবনগুলি ধ্বসে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার আশংঙ্কা রয়েছে।  এ জন্য তারা অনতি বিলম্বে নির্ধারিত স্থানে এই ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ করার দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ