আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৃদ্ধা কোন নারীকে ধর্ষণ করলে তা অপরাধের আওতায় পড়বে না বলে রায় দিয়েছে দিল্লি হাইকোট। সম্প্রতি দিল্লির হাইকোর্ট এ রায় দেয়।
আর এজন্য নিম্ন আদালতে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আচেয় লালকে বেকসুর খালাসও দিয়েছে দিল্লি হাইকোট।
বিচারপতি প্রদীপ নন্দরাজোগ ও মুক্তা গুপ্তা বলেন, যেহেতু নিগৃহীতা ঘটনার সময় মেনোপজ পেড়িয়ে গিয়েছিলেন তাই এক্ষেতে তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে বলপ্রয়োগ করা হলেও এই ঘটনাকে জবরদস্তি বলা যায় না।
ঘটনার সময় নিগৃহীতা নারীর বয়স ৬৫ থেকে ৭০ এর মধ্যে ছিল।
তবে রায়ে আদালত মেনোপজের কোন বয়সের সীমারেখা পরিষ্কার করতে পারেন নি।
এরই মধ্যে বিভিন্ন নারী সংগঠন তীব্র ভাষায় এই রায়ের সমালোচনা করেছে।
আইনজীবী ও সমাজকর্মী বৃন্দা গ্রোভার দিল্লি হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, কীসের উপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত নিল এটি ধর্ষণের ঘটনা নয়? মেনোপজের সঙ্গে ধর্ষণের সম্পর্কটাই বা কী?
মেনোপজ একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এর উপর ভিত্তি করে ধর্ষণ হয়েছে না হয়নি তার বিচারের বিন্দুমাত্র কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনাকে ধর্ষণ হিসেবে খারিজ করার আগে আরও একটি অদ্ভুত যুক্তি দিয়েছে হাইকোর্ট।
উল্লেখ, ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে দিল্লিতে নিজ বাড়িতে উদ্ধার হয় ওই নিগৃহীতার মৃতদেহ। সেই বাড়ি থেকেই মাতাল অবস্থায় গ্রেফতার হয় আচেয় লাল।
সূত্র : জি নিউজ