• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পূবালী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে লাপাত্তা দুই শতাধিক গ্রাহক

Bankঅর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : পূবালী ব্যাংক থেকে কনজিউমার ঋণ নিয়ে লাপাত্তা দুই শতাধিক গ্রাহক। লোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগকৃত এজেন্ট মেসার্স অনির্বাণ সার্বিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুসলেহ উদ্দিন আহমেদেরও কোনো খোঁজ মিলছে না। তাই ১৪ বছর ধরে অনাদায়ী রয়েছে প্রায় অর্ধকোটি টাকা। বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়েছে ২০০৫ সালে। এখনো চলছে তদন্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সালে টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। পরে পূবালী ব্যাংক কনজিউমার ক্রেডিট ডিবিশনের পক্ষে সিনিয়র অফিসার মালেকুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা মহানগর মূখ্য হাকিম আদালতে মামলা করেন। মামলায় মেসার্স অনির্বাণ সার্বিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুসলেহ উদ্দিন আহমেদকে আসামি করা হয়। তার অফিস উল্লেখ করা হয় কারওয়ানবাজারের ৪৮, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ-তে। গ্রামের বাড়ি উল্লেখ করা হয় মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে।

এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে ২৭ লাখ ৪১ হাজার ১৮৩ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। পরে দুদকের তদন্তে আত্মসাৎকৃত টাকার অংক আরো বাড়ে। যাদের নামে ঋণ মঞ্জুরি করা হয়েছিল তাদের সবারই এজেন্ট ছিল মেসার্স অনির্বাণ সার্বিসেস লিমিটেড। দুই বছরমেয়াদী এজেন্ট নিয়োগ হয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহক সংগ্রহ এবং ঋণের কাগজপত্র সরবরাহসহ ঋণ কার্যক্রম সংক্রান্ত সবকিছুর দায়িত্বে ছিলেন।

সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২৮৩জন ঋণগ্রহীতা ঋণ নেয়। কিছু ঋণ পরিশোধ হলেও বেশিরভাগ ঋণ পরিশোধ করা হয়নি। সূত্র মতে, এই ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে ২০১১ সালে তদন্ত শুরু করে দুদক। প্রথমে দায়িত্ব পালন দুদক তৎকালীন সহকারী পরিচালক (বর্তমানে উপ-পরিচালক) আনোয়ারুল হক। তদন্ত শেষে তিনি কমিশনে একটি প্রতিবেদনও পেশ করেন। কিন্তু ওই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হতে পারেনি কমিশন। পরে দায়িত্ব দেয়া হয় উপ-সহকারী পরিচালক জাফর আহমদকে। তিনি কোনো কাজ না করলেও দীর্ঘদিন ফাইলটি তার হেফাজতে ছিল। পরে গত ৭ আগস্ট বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেনকে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩ জন নামদারী গ্রাহক ঋণ নিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছে। পূবালী ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, যশোর, ফরিদপুর এবং গোপালগঞ্জসহ কয়েকটি শাখা থেকে এ ঋণ উত্তোলন করা হয়।

জানতে চাইলে দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি মাত্র কাজ শুরু করেছি। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে তেমন কিছু বলা যাবে না।

তিনি আরো জানান, ১৯৯৩ জন গ্রাহকের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০ জন গ্রাহকের তথ্য-উপাত্ত ব্যাংক থেকে পাওয়া গেছে। তবে সরেজমিন অনুসন্ধান করতে এসব গ্রহকদের না-ও পাওয়া যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ