বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে এস এস হাসান মন্ডল: বাংলাদেশে নিযুক্ত সার্কভুক্ত তিন দেশের রাষ্ট্রদূত লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর পরিদর্শনে জন্য রোববার সকাল সাড়ে ১২টায় তিন দেশের রাষ্ট্রদূত ভুটানের রাষ্ট্রদূত প্রেমা চোডেন, নেপালের রাষ্ট্রদূত হরিকুমার শ্রেষ্ঠা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত পঙ্কজ শরন সহ ৮ সদস্য প্রতিনিধি দলটি বুড়িমারী স্থলবন্দরে পৌঁছান। সড়কপথে উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগ বা কানেকটিভিটি বাড়াতে বাংলাদেশে নিযুক্ত তিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তসংলগ্ন বুড়িমারী স্থলবন্দর পরিদর্শনে করেন।
জানা গেছে, রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার বুড়িমারী- চ্যাংড়াবান্ধা, ভুটান-ভারতের ফুলছলিং-জয়গা, নেপাল ও ভারতের কাঁকরভিটা-পেনটাঙ্কি এবং বাংলাদেশ ও ভারতের ফুলবাড়ী-বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরসহ বন্দরের অবকাঠামো অবস্থা কোন পর্যায়ে, কোথায় কী সমস্যা, পুরোপুরি সচল কিনা, বর্তমান পরিস্থিতি কী, এসব বিষয় সরেজমিন গুরে দেখেন।
আন্তঃসংযোগ হলে তখন ভারতের ওই করিডোর ব্যবহারের অনুমতি লাগবে না। ফলে নেপাল-ভুটানের সঙ্গে সরাসরি পণ্য পরিবহন করতে পারবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও পণ্য নেওয়া সহজ হবে। এতে করে পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য বহুগুণ বাড়বে। সে জন্য ভারতকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
বড়িমারী স্থলবন্দরে তিন দেশের রাষ্ট্রদূত কে গার্ড অব অর্নার প্রদান করেন লালমনিহাট জেলা পুলিশ। বুড়িমারী স্থলবন্দরে কাস্টমস অফিসে বুড়িমারী স্থলবন্দরের সকল সিএনএফ ব্যবসায়ীদের সাথে ২ ঘন্টা ব্যাপী বৈঠক করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন ভুটানের রাষ্ট্রদূত প্রেমা চোডেন, নেপালের রাষ্ট্রদূত হরিকুমার শ্রেষ্ঠা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত পঙ্কজ শরন।
ভারত, নেপাল ও ভুটান-এই তিন দেশের সঙ্গে স্থলপথে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তারই অংশ হিসেবে বুড়িমারী স্থলবন্দর পরিদর্শনে আসছেন রাষ্ট্রদূতরা। তিন দেশের সাথে আমদানী রপ্তনী ক্ষেত্রে সকল প্রকার সমস্য সমাধের দুর হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশীয় অনুবিভাগের পরিচালক জাহিদ-উল ইসলাম,লালমনিরহাটের অতিরিক্র প্রশাসক রাজা মো: আব্দুল হাই পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল, বুড়িমারী স্থলবন্দর কাস্টমস সহকারী কমিশনার(এসি) মতিয়ার রহমান প্রমুখ।