সিসি নিউজ: পর্নোমুভি তৈরি করতে গিয়ে রাজধানীর একটি হোটেল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীসহ ১১ জনকে আটক করে বংশাল থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। রোববার রাতে রাজধানীর নিমতলীর হোটেল সুফিয়া থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ পর্নোমুভির সরঞ্জমাদি উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে চার জন মেয়ে ও সাত জন ছেলে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ক্যাম্পাসে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। আটককৃতদের কারো নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বংশাল থানার ডিউটি অফিসার হাফিজুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে ডিএমপি অ্যাক্টের ৭৪ ধারায় তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃত ১১ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আটককৃতদের নাম প্রকাশে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।
এতিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ আলী বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আটককৃতদের মধ্যে মাত্র পাঁচ জন ঢাবির শিক্ষার্থী। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের শিক্ষার্থী। পাঁচ জনের মধ্যে একজন বর্তমান ছাত্র বাকি চার জন সাবেক ছাত্র। তবে তাদের নাম এখনো আমার হাতে আসেনি।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা জানায়, মাঝে মাঝেই হোটেল সুফিয়াতে এ ধরনের অপকর্ম হয়ে আসছে। স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে এই অপকর্ম করা হয়। এ নিয়ে হোটলে মালিক এবং এলাকাবাসীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই হোটেলের কারণে এলাকার যুবক ছেলে-মেয়ে এসবে লিপ্ত হচ্ছে।
তারা আরো জানায়, রোববারেও বেশ কয়েকজন ছেলে এবং মেয়ে একসাথে হোটেলে প্রবেশ করে। বিষয়টি এলকাবাসীর নজরে পড়ে। পরে এলাকার লোকজন একত্র হয়ে হোটেল ঘেরাও করে বিভিন্ন কক্ষ থেকে চার জন মেয়ে ও সাতজন ছেলেকে আটক করে।
এসময় তাদের রুম থেকে বিপুল পরিমাণ পর্নো ভিডিও, পর্নো সিডি, পর্নো ম্যাগাজিন, পর্নমুভি তৈরির সরঞ্জাম ও একটি ল্যাপটপ পাওয়া যায়।