ঢাকা: ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার ইমাম ও ইকরা বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেছেন, “ইকরা একটি সাধারণ ও ইসলাম শিক্ষার পরিকল্পিত সমন্বয়ের নাম। ইকরায় পড়াশোনা করে শুধু ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার নয় সঙ্গে সঙ্গে কুরআন সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ারও সুযোগ পাবে।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র শোলাকিয়ায় ইক্রা বাংলাদেশের ২৩তম শাখা উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।
আধুনিক ইসলামিক স্কুলগুলো ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধরতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক এস এম আলম। তিনি বলেন, “সমাজের যে কেউ ইসলামের ব্যাখ্যা দিতে পারে না। বিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিই কেবল ইসলামের ব্যাখ্যা দিতে পারেন।”
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “ইক্রার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সে ধরনের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক গড়ে উঠবে।”
ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সভাপতির আলোচনায় কিশোরগঞ্জবাসীর শুকরিয়া জানিয়ে বলেন, “এখানেই আমি বড় হয়েছি। বিলম্বে হলেও আলহামদুলিল্লাহ এখানে ইকরার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।”
মাসঊদ বলেন, “আজকের স্কুলগুলোতে কুরআন-সুন্নাহর বিদ্যাকে, নৈতিকতার শিক্ষাকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় না। ইকরার সিলেবাসে তাই পরিকল্পিত সমন্বয় সাধন করা হয়েছে।”
মাওলানা রুহুল আমীন সিরাজীর উপস্থাপনায় আরো বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ জেলার এসপি আনোয়ার হুসেন, তাড়াইল দারুল মাআরিফ মাদরাসার শায়খুল হাদীস মাওলানা মুসলিম উদ্দীন, মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন, কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক দুলাল, মাওলানা সাঈদ নিজামী প্রমুখ।
কিশোরগঞ্জ জেলার এসপি আনোয়ার হুসেন বলেন, “পরিকল্পিত সমন্বয় প্রমাণ করে যে, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আধুনিক সব জ্ঞানেই যোগ্য হয়ে গড়ে উঠছে।”
অনুষ্ঠান শেষে অতিথি ও আগত সবাই পরিকল্পিত সমন্বয়ের সিলেবাসভুক্ত পুস্তক প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।