কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিরল প্রজাতির শকুন ধরা পড়েছে। শকুনটি উড়ন্ত অবস্থায় জামায়াত অফিস সংলগ্ন রশিদা বেগমের বাড়িতে হঠাৎ পড়ে যায়।এসময় রশিদা বেগম শকুনটি ঝাপটে ধরে স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়। পরে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম পাখিটিকে চিহ্নিত করে প্রশাসনের সহায়তায় পাখিটিকে উদ্ধার করে রংপুর চিড়িয়াখানায় হস্থান্তর করে।
প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্র জানায়,এই বিরল প্রজাতির শকুনটি বিলপ্তির পথে।দেশ স্বাধীনের আগে শকুনের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেলেও এখন আর তেমনটা চোখে পড়ে না।প্রাণী সম্পদ অফিস আরো জানায় বৈষ্ণিক আবহাওয়ার পরিবর্তন খাদ্যের অপ্রতুলতা ও বসবাসের স্থানের অভাবে এ প্রজাতির পাখিটি বিলুপ্ত হচ্ছে বলে তারা ধারণা করছেন।পাখিটির দৃষ্টি শক্তি তীক্ষè ও প্রখর। তারা ৩০০ কি:মি: দূর থেকে নিচে দেখতে পায়।তারা ঘন্টায় ৬৯ হাজার কি:মি: উড়তে পারে। তারা ৩৭হাজার ফিট উপরে উড়ে। এর বৈজ্ঞানিক নাম ভালচার। তারা চার থেকে ছয়টি ডিম দেয়। তাদের পাঁচ বছর বয়সে প্রজনন হয়।এই পাখিটি মুক্ত অবস্থায় ২০ বছর আর খাঁচার ভিতর ৩০ বছর বাঁচে। অনুকুল পরিবেশের কারণে তারা হারিয়ে যাচ্ছে। এ পাখিটি সাইবেরিয়া থেকে দলছুট হয়ে এখানে এসেছে বলে ধারণা করা হয়। তিনি আরো জানান,পাখিটিকে সংরক্ষণের জন্য রংপুর চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়েছে।
শীত বস্ত্র বিতরণ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এডিপি ওর্য়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রকল্পের উদ্যেগে সোমবার ১৬৪৫ জন হত দরিদ্র,ঝরে পড়া শিশু ও প্রতিবন্ধিদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সিদ্দিকুর রহমান প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত থেকে তাদের হাতে কম্বল তুলে দেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুর রহমান,প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম,এডিপি ম্যানেজার নিকোলার্স মূর্মু,এডিপি শিক্ষা প্রকল্প কর্মকর্তা উত্তম দাস,কৃষিবিদ আমজাত হোসেন ও মিন্টু বিশ্বাস প্রমুখ।