রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: রাবি সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এ কে এম শফিউল ইসলামকে হত্যার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামের রাজারহাট এম.আই ডিগ্রী কলেজের সমাজ-বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মিসেস দিলরুবা বেগমের উদ্যোগে গতকাল সোনালী ব্যাংক চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। এম.আই ডিগ্রী কলেজের সহ. অধ্যাপক ও শিক্ষক প্রতিনিধির সদস্য সাজেদুর রহমান মন্ডল চাঁদ-এর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন-বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. এনামুল হক, দর্শন বিভাগের সহ. অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম খাঁন (শাহীন), কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আব্দুস সালাম, ছাত্রলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম বুলেট প্রমূখ। বক্তারা অবিলম্বে রাবি শিক্ষক শফিউল ইসলামের প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন প্রশাসনের নিকট।
রাজারহাটে ২২টি মোবাইল ফোন ভেঙ্গে ফেলল ইউএনও
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে গতকাল ইংরেজী প্রথম পত্র জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে উত্তরপত্র সরবরাহ করার অভিযোগ এনে ২২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক তা ভেঙ্গে ফেলল ইউএনও। এ ঘটনাটি ঘটেছে রাজারহাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি’র ভেন্যু কেন্দ্রে। ওই কেন্দ্রে ১৬টি কক্ষের মধ্যে ১৪টি কক্ষেই পরিদর্শকরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দু’টি কক্ষ ব্যতিত প্রতিটি কক্ষের কক্ষ পরিদর্শকরা দিব্যি যে যার মতো করে ডিউটি পালনরত অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। যা একেবারেই বে-আইনি। রাজারহাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. মজিবর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত ১৮টি মোবাইল ফোনের তালিকা পেয়েছি এবং ফোনগুলো সিমসহ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও রাজারহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলেখা জিনাত বলেন, বিষয়টি এখনও শুনিনি এবং ফোনে নয়, সরাসরি আসেন কথা বলি। উল্লেখ্য, গত রোববার রাজারহাট ফাজিল মাদ্রাসায় জেডিসি পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলে সহায়তা করার অভিযোগে উত্তরপত্রসহ ওই মাদ্রাসার অফিস সহকারী মো. খলিলুর রহমান (৩৫) কে আটকসহ রেশমা খাতুন নামের এক পরীক্ষার্থীনিকে বহিস্কার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আব্দুল ওয়ারেস আনসারি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ওই অফিস সহকারী খলিলুর রহমানকে ২ বছরের জেল ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক অভিযুক্ত অফিস সহকারীকে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়। অভিযুক্ত খলিলুর রহমান রাজারহাট উপজেলার সদর ইউপি’র নাফাডাঙ্গা গ্রামের মাওলানা মো. আব্দুস ছালামের পুত্র বলে জানা গেছে।