এম আর মহসিন: উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৈয়দপুর ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞান ও ইসলামের ইতিহাসে প্রভাষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে দল-মত নির্বিশেষে সকল শিক্ষার্থিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শনিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে মিছিল ও অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সভা করেছে। সভায় ছাত্রনেতারা অবিলম্বে এ নিয়োগ বাণিজ্য বাতিল করে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মেধাবিদের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগের দাবি তুলে ধরেন কতৃপক্ষের কাছে। না হলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এ কলেজের সকল কার্যক্রম অচল করা হবে বলে হুশিয়ারি করেন নিয়োগ কমিটিকে।
বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থিরা জানায়, এ কলেজে ইসলামের ইতিহাস ও পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রভাষক নিয়োগ বিষয়ে গত ১৫ নভেম্বর লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ নিয়োগ পরীক্ষায় যাহারা প্রথম হয়েছে তাদের কে নিয়োগ দেয়ার নিয়ম থাকলেও কতৃপক্ষ তা করেন নি। অর্থের বিনিময়ে পছন্দনীয় প্রার্থিকে নিয়োগ দিয়ে এ কলেজটিকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা করছেন। তাই এ নিয়োগ বানিজ্য বন্ধের দাবিতে সকল শিক্ষার্থিরা সমবেত হয়ে প্রতিবাদে নেমেছে। গত শনিবার দুপুরে এ কলেজ ক্যাম্পানের ভিতরে প্রায় ৫শতাধিক বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থি এ মিছিলের মাধ্যমে আন্দলনে অংশ নেয়। পরে মিছিল শেষে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে তারা প্রতিবাদ সভা করে। সভায় ছাত্র নেতা নজির হোসেন বলেন, ক্ষমতাসিন মন্ত্রী ও এমপির নাম ভাঙ্গীয়ে কতিপয় দালাল এ কলেজটিকে মেধাশুন্য করে ধ্বংসের চক্রান্ত করছে। তারা বিশাল অংকের অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ কমিটির সাথে আতাত করে এ কাজ করেছে । রকিবুল হোসেন রকি নামের ছাত্র নেতা বলেন, নিয়োগের নামে প্রহসন করেছে কতৃপক্ষ। তাই প্রকৃত মেধাবিদের নিয়োগ দেয়া না হলে আমরা কঠোর আন্দলনে যাব।
কলেজ কতৃপক্ষ জানায়, ইসলামের ইতিহাসে ১৪ জন এবং পদার্থ বিজ্ঞানে ১১ জন পরীক্ষাথি অংশ নিয়েছিল। আর নিয়ম অনুসারে নিয়োগ সংক্রান্ত কাজ হয়েছে। তবে প্রভাষক নিয়োগ কমিটির ৫ সদস্যর মধ্যে অন্যতম সদস্য হলেন কলেজেটির অধক্ষ্য মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ। এ বিষয়ে তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে নিয়োগ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতেই রাজি হননি।