• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চাঁদপুরে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

atto hottaচাঁদপুর প্রতিনিধি: ঢাকা শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী আমরিন নুর (১৬) লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পড়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার রাত পৌনে ৮টায় মতলবের ষাটনল নামক স্থানের মেঘনা নদীতে। আমরিন নুর এর পিতার নাম এডভোকেট মীর আমিনুর রশিদ। লঞ্চে যাত্রীদের ও কর্তৃপক্ষের আলাপকালে জানাযায়, ঢাকা ক্যান্টেম্যান্ট কলেজের ইংরেজী বিভাগের ছাত্রী আমরিন নুর।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার এলাশাপুর এলাকার মেঘনা নদীতে কলেজ ছাত্রীর লাশ ভেসে ওঠে। স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে ফোনে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ফোনে জানান, আমারা একটি মেয়ের লাশ পেয়েছি। তাদের আত্বীয় স্বজনদের জানাননো হয়েছে। তার আসলে আইনী প্রক্রীয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকাল ৪টায় ঢাকা-চাঁদপুরের মধ্যে চলাচলকারী এমভি সোনারতরী-২ লঞ্চে উঠে চাঁদপুরে0002 আসার উদ্দেশ্যে। পথিমধ্যে চাঁদপুর নৌ-সীমানার মতলব ষাটনল নামক স্থানে লঞ্চটি আসলে আমরিন নুর তার সাথে থাকা ব্যাগটি রেখে রাত প্রায় পৌনে ৮টায় লঞ্চের তৃতীয় তলা থেকে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে লঞ্চটি থামিয়ে ওই এলাকায় প্রায় দেড় ঘন্টা ফোকাস লাইটের মাধ্যমে ব্যাপক খোঁজা খুজি করে তাকে জীবীত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারিনি। লঞ্চযাত্রী সজিব ভুঁইয়া, জীবন, রেহানা বেগম জানায়, মেয়েটি ঢাকা থেকে লঞ্চটি ছাড়ার পর লঞ্চে ঘুরে ঘুরে কান্না কাটি করছিলো। এক পর্যায়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছে সে বাসায় তার মায়ের সাথে বাক বিতন্ডা হয়। দুপুরে সে অভিমান করে বাসা থেকে চলে আসে। তার লঞ্চে ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ একটি বইয়ের ভিতর লিখা থেকে তার পিতার নাম ও মোবাইল নম্বর পায়। এছাড়া ওই কাগজটির মধ্যে বিভিন্ন লেখা দেখে বুঝা যায় মায়ের সাথেই তার অভিমান। তার অবস্থান ঢাকা ক্যান্টেনম্যান্ট এলাকা। তার পিতার সাথে মুঠোফুনে আলাপ কালে জানা গেছে, তিনি এই বিষয়ে স্থানীয় থানায় ডায়েরী করবেন বলে জানিয়েছেন। তার মেয়ের এই ঘটনার জন্য তার স্ত্রী দায়ী বলে দাবী করেন। আমার মেয়েটা অনেক আদরের ছিল। আমি হত বিম্বল কেন সে এ কাজটি করলো বুঝে ওঠছি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ