• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

টুনির পুন: ময়নাতদন্ত: সঠিক রিপোর্ট দেয়ার দাবি মা রাজিয়ার

tuni_59613ঢাকা : নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনি খ্যাত নায়ার সুলতানা লোপার পুন:ময়নাতদন্তে কেউ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। কারো পক্ষে প্রভাবিত না হয়ে সঠিক ময়না তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার দাবি করেছেন লোপার মা রাজিয়া সুলতানা।

শুক্রবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে লোপার মা রাজিয়া সুলতানা এই দাবি করেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, পুলিশের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত রিপোর্টের মধ্যে অনেক গরমিল রয়েছে। যার কারণে প্রথমবার করা ময়নাতদন্তে প্রকৃত ঘটনা উঠে আসেনি বলে অভিযোগ করা হয়। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লোপার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে পুন:ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

রাজিয়া সুলতানার দাবি, মাদকাসক্ত ও পরকীয়ার কারণে তার মেয়ে লোপাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে স্বামী আলী আমিন। ২০০০ সালে আলী আমিনের সঙ্গে বিয়ে হয় লোপার। গায়ে হলুদের দিন একজন পুলিশের মাধ্যমে তার পরিবার জানতে পারে আলী আমিন মাদকাসক্ত। কিন্তু অনুষ্ঠান এতদূর গড়িয়েছে যে ঐ সময় বিয়ে বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়েছিলো, আলী আমিনকে শোধরানো যাবে। কিন্তু সেটাও সম্ভব হয়নি। মাদকাসক্ত ও পরনারীর প্রতি আসক্তির অভ্যাস পাল্টেনি তার।

সম্প্রতি সাজ নামে আমেরিকা প্রবাসী এক মেয়ের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরকীয়ায় জড়ায় আলী আমিন। সাজ দেশে আসলেই আমিনের বাসায় আসতো। সারারাত দুজন একসঙ্গে থাকার পর ভোরে সাজকে গাড়ি দিয়ে তার মায়ের বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হতো। আলী আমিনের পরকীয়ার বিষয় ধীরে ধীরে লোপার কাছে স্পষ্ট হতে থাকে। যা সহ্য করতে পারে না আলী আমিন। যার কারণে সুযোগ বুঝে পরিকল্পিত ভাবে লোপাকে হত্যা করে লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে।

রাজিয়া বলেন, আত্মহত্যা করলে গলার হাড় ভেঙ্গে যেত কিন্তু সেটা ভাঙ্গেনি। ঝুলন্ত অবস্থায় লোপার কোমরে ওড়না বাঁধা ছিলো। কেউ নিজে ফাঁস দিলে তার কাপড় কোমরে প্যাঁচানো থাকার কথা নয়। পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে হাত, কনুই ও গলায় আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তার পুরোটাই চেপে যাওয়া হয়েছে। রাজিয়া সুলতানা অভিযোগ করেন, আলী আমিন ও তার পরিবার বিপুল পরিমাণ অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাল্টে দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, হত্যার আগে আলী আমিন বাসার দলিল, ব্যাংকের চেক, লকারের চাবি, আইপট, প্রেমিকার দেয়া উপহার সামগ্রীসহ মূল্যবান জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। আলী আমিন আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জামিনে বেরিয়ে এসেছেন। এখন মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ