• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্রথম আলোর সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদককে ফের তলব

Hi cortঢাকা: জামিন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নিবন্ধ লেখার দায়ে হাইকোর্ট দোষী সাব্যস্ত করার পর, এবার প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে লেখা একটি মন্তব্য প্রতিবেদনের জন্য দৈনিক প্রথম আলো’র সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান এবং যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খানকে তলব করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
একইসঙ্গে ‘প্রধান বিচারপতি বেছে নেওয়া’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা যাবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
সোমবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশে আগামী ৫ জানুয়ারি এই দুই সাংবাদিককে আদালতে হাজির হয়ে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
প্রথম আলোয় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন নিয়ে ব্যারিস্টার সিরাজুম মুনিরের এক আবেদন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ আদালতে উপস্থাপন করার পর আদালত এ আদেশ দেন।
সোমবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ অবসরে যাওয়ার কারণে আরেকজন নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি সামনে এসেছে। এই পদে নিয়োগে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তা নিয়ে তেমন আলোচনা কখনো হয়নি। দ্বাদশ সংশোধনী প্রধান বিচারপতি নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ রদ করেছিল। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটছে।
বর্তমান প্রধান বিচারপতির টানা তিন বছর এই পদে থাকা বিরল ঘটনা।’
এর আগে চলতি বছরের ১৩ মার্চ হাইকোর্ট আদালত অবমাননার অভিযোগে মিজানুর রহমান খানকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে।
প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খানের বিরুদ্ধে এই আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছিল হাইকোর্ট থেকে জামিন  দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে এক নিবন্ধ লেখার দায়ে।
বিচারপতি নাঈমা হায়দার এবং বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ এই মামলার রায়ে মিজানুর রহমান খানকে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। তিনি চারদিন এই মামলার শুনানি চলাকালে যে আদালতে দাঁড়িয়ে ছিলেন আদালত সেটিকে শাস্তি হিসেবে গণ্য করে তাকে জরিমানা ব্যতীত আর কোন সাজা দেয়নি।
তবে একই মামলা থেকে ‘প্রথম আলো’র সম্পাদক মতিউর রহমানকে অব্যাহতি  দেওয়া হয়। তিনি এর আগেই এই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ