• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খানসামায় ক্ষেতমজুরের সমিতির ঘেরাও কর্মসূচী ও স্মারকলিপি

Khansama Rally Pioদিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের খানসামায় সরকারী খাস জমি ও পুকুর প্রকৃত ভূমিহীন এবং মৎস্যচাষীদের মাঝে বরাদ্দ। বরাদ্ধকৃত খাস জমি এবং পুকুর থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদসহ ৬দফার দাবিতে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি খানসামা শাখার উদ্যোগে পদযাত্রা এবং উপজেলা ঘেরাও কর্মসূচী পালন করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলার জমিদার নগর থেকে পদযাত্রার মাধ্যমে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ উপজেলা চত্বরে এসে ঘেরাও কর্মসূচী পালন করে।
দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসক বরাবরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহিনুর আলম এর নিকট ৬দফা দাবি সম্বিলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।
কর্মসূচী চলাকালে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা ক্ষেত মজুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক চৌধুরী, জেলা কমিউনিষ্ট পার্টির সহ-সাধারণ সম্পাদক কমরেড অধ্যাপক বদিউজ্জামান বাদল, সদস্য অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার সেন, খানসামা ক্ষেতমজুর সমিতরি সভাপতি মোঃ আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকবর হোসেন প্রমুখ।
বক্তাগণ বলেন, উপজেলার পাকের হাট এলাকায় ঝাপুরহাট আদর্শ গ্রামে যে ৭০জন ভূমিহীনকে খাস জমি সরকার কবলা করে দিয়েছেন তাদের মধ্যে ৪০জন তাদের জমি  দখল পেয়েছে। বাকি ৩০জন ভূমিহীন দখলদারদের হুমকির ভয়ে জমিতে যেতে পারছেনা। আরাজী জাহাঙ্গীরপুর আদর্শ গ্রামে ৫০টি পরিবার বসবাস করলেও ২০টি পরিবারের মাঝে খাস জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ২০টি পরিবারের মধ্যে জমি বুঝে পেয়েছে ১০টি পরিবার। ১০টি পরিবারের জমি অবৈধ দখলদারেরা দখল করে নিয়েছে। অবিলম্বে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে দখল বুঝে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অনুরুপ ভাবে নদী-পুকুরগুলি অবৈধ দখলদারেরা দখল করে নেওয়ায় প্রকৃত মৎস্যজীবিরা বেকার হয়েছে পড়েছে। তারা অনাহারে জীবন যাপন করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ