সিসি নিউজ: ইন্দ্রা-মুজিব ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে নীলফামারীর চিলাহাটীতে যৌথ সমাবেশ করেছে ভারত ও বাংলাদেশের ছিটমহলবাসী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটী সীমান্তের বালাপাড়া আমেতুল্লাহ বিদ্যালয় মাঠে ভারতীয় ২নং ভাজনী ও ৩নং বালাপাড়া ছিটমহল বাস্তবায়ন কমিটির সহযোগীতায় ও বালাপাড়া খাগড়াবাড়ী ছিটমহল বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে দুই দেশের ছিটে বসবাসরত সহস্রাধিক মানুষ অংশ গ্রহণ করে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি ভারত ইউনিটের কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক শ্রীমান দিপ্তীমান সেনগুপ্ত।
ভারতীয় ৩নং বালাপাড়ায় খাগড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অথিতি হিসেবে ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির কলকাতা জেলার সভপতি শ্রীমান অমরবৃক্ষ, ভারত -বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার সভাপতি ময়নুল ইসলাম (বাংলাদেশ-ভারতের বিভিন্ন জেলার ছিটমহলের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি ভারত কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক শ্রীমান দিপ্তীমান সেনগুপ্ত বলেন, ‘৬৮ বছরের সমস্য ৬৮ ঘন্টায় সমাধান সম্ভব নয়। দুই দেশের সরকার যথেষ্ট আন্তরিক তাই তারা এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই মধ্যে র্দীঘ বছেরের সমস্যা সমাধানে ভারতের পশ্চিম বঙ্গের রাজ্য সরকার এই চুক্তিকে সর্মথন করছে। ভারতে তিন/চার মাস হলো নুতন সকারের ক্ষমতায় বসার। এই সরকারকে কিছু সময় দেওয়া দরকার। আমরা আশা করছি অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে।’
এদিকে অন্যান্য বক্তরা বলেন, ‘ইন্দ্রা-মুজিব ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে থাকা ছিটমহল বাসীরা নিজেদের জন্মভুমিতে থেকেও তারা তাদের পরিচয় পায় রিফিউজি হিসেবে। ছিট মহলে যে সকল মানুষ বসবাস করে তারা বঞ্চিত শিক্ষা, স্বাস্থ্য,চিকিৎসাসহ সকল মৌলিক অধিকার থেকে।’ তাই দুই দেশের সরকারের প্রতি আহবানজানিয়ে তারা বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ভারত ও বাংলাদেশ সরকার এই ছিটমহল বাসীদের কথা চিন্তা করে ইন্দ্রা-মুজিব ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়ন করে র্দীঘ বছরের রিফিউজির তকমা থেকে আমাদের মুক্তি দেন।