সিসি নিউজ: ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সেনা শাসক জিয়াউর রহমান দীঘদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্য নিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দলটি মোট ১৭ বছর দেশ শাসন করেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপিকে বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে ধরা হয় থাকে। তবে দলের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে শীঘ্রই তাদের স্থান জামায়াত দখল করে নিতে সচেষ্ট হবে। এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। পূর্ব পাকিস্থান মানে আজকের বাংলাদেশে একসময় আওয়ামী লীগের পরেই ছিল মুসলিম লীগ আর জামায়াতে ইসলামের অবস্থান। ৭০ নির্বাচনে পুর্ব পাকিস্থানের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের পরেই ছিল জামায়াত। স্বাধীনতার পর জামায়াতের রাজনৈতিক কার্যকলাপ অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ থাকায় ও মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্থানের পক্ষ নেওয়ায় জামায়াতের লোকেরা তখন দেশ ও বিদেশে পালিয়ে ছিল। এদের অনেকে ঐসময় নব গঠিত আওয়ামী লীগ বিরোধী রাজনৈতিক দল জাসদের ছত্র ছায়ায় এসেও আস্তানা গাড়ে।
৭৫ পনরই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর জিয়াউর রহমান কৌশলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থান জামায়াতের আমির গোলাম আজমকে বাংলাদেশে এনে তার বাতিলকৃত বাংলাদেশী নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দিয়ে জামায়াতকে রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক দল জামায়াত অত্যন্ত সুক্ষèভাবে বিএনপির ভিতরে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দলকে সংঘটিত করার সুযোগ করে নেয়। জামায়াত এখন বিএনপির চেয়ে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে দাড়াতে সক্ষম হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকমহল মনে করেন। জিয়া শুরুটা করলেও খালেদা একই পথ অনুসরণ করে সপরিচিত স্বাধীনতা বিরোধী এসকল জামায়াত নেতাদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ফলে যারা একদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল খালেদা জিয়া তাদের হাতেই তুলে দিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা। অর্থাত তিনি খাল কেটে কুমির নিয়ে আসলেন। যার পরিনতি এখন বিএনপি হারে হারে টের পাচ্ছে। বিএনপি এখন ১০০% জামায়াত নির্ভরশীল দল হয়ে পরেছে। এখান থেকে ফিরে আসা এখন আর খালেদা তারেকের নেতৃত্বাধীন বিএনপির পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এখন বিএনপির ভেতরেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী নুতন বিরোধী দল গড়ার চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে বলে শুনা যাচ্ছে। কারণ আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। সুতরাং আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে হলে একসময়ের শক্তিশালী জাসদের মতই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করা জরুরি হয়ে পরেছে। যাতে করে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ কোথায় কোথায় স্বাধীনতা বিরোধী বলে আর আক্রমন করতে না পারে।
একদিকে খালেদা জিয়া ও পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি যখন পুরোপুরি জামায়াত নির্ভর রাজনৈতিক দল হিসেবে অবস্থান করছে। অন্যদিকে বিএনপির প্রগতিশীল অনেক নেতারা মনে করেন বিএনপি এখনো একাই একশো। ৯১ বিএনপি একাই ক্ষমতায় ছিল জামায়তকে সাথে নিয়ে নয়। সুতরাং বিএনপির এত বেশি করে জামায়াত নির্ভরশীল হওয়া মোটেও উচিত নয় তারা মনে করেন। চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনী। কে শুনবে কার কথা। তারেক রহমান একসময় জামায়তের সভায় যোগদান করে প্রকাশ্যে বলেছিলেন আমরাতো একই পরিবারের লোক। যার ফলে খালেদা ও তারেকের নেতৃত্বে জামায়াত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখার সুযোগ করে নেয়। তাই এখন বিএনপিকে জামায়াত নির্ভরশীল থেকে বিছিন্ন করার প্রশ্ন উঠেছে। সংস্কারপন্থী বলে খালেদা জিয়া যাদের দল থেকে দুরে রেখেছেন এবং বিএনপির জামায়াত প্রীতি যাদের পছন্দ নয় তারা হয়তো সময়মত বেরিয়ে আসবেন। বাংলাদেশের জনগণও চায় বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একটি শক্তিশালী বিরোধী দল। বর্তমান বিএনপির মত স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত কোনো দল নয়। এধরনের একটি দলে আওয়ামী লীগের সংস্কারপন্থীদের আসাটাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তাছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে যে অবস্থায় এখন তার একার পক্ষে দলকে এক করে সরকারের বিরুদ্ধে বেপকভাবে আন্দোলনে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন বলেই পর্যবেক্ষকমহল মনে করেন। এই অবস্থায় এখন শুধু প্রেস ক্লাব, বিবৃতি আর হুমকির মধ্য দিয়েই হয়তো বিএনপিকে চলতে হবে। অন্যদিকে বিভিন্ন দল ও মতাদর্শের রাজনীতিবিদদের বিএনপিতে আগমনের কারণে সবসময়ই একে অপরের প্রতি তারা সন্দিহান ছিলেন এবং এখনো আছেন। দলীয় নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের লড়াই বিএনপিতে কখনই থেমে থাকেনি। বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি অতিরিক্ত আস্থা দেখানোর প্রতিযোগিতায় কেন্দ্রীয় নেতারা একে অপরের প্রতি বাকা চোখে সন্দেহের তীর ছুড়ে দিচ্ছেন। দলের নেতৃত্বের এই কোন্দল সামলানো খালেদা জিয়ার একার পক্ষে এখন অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে। অন্যদিকে তারেক রহমানের আপাতত বাংলাদেশে ফিরে আসা আর সম্ভব নয়। তাই লন্ডনে বসেই তিনি নানা ধরনের কাল্পনিক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি তারেক রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যা লিখে গেছেন তার সরাসরি বিরোধিতা করে বক্তব্য দিয়েছেন। জিয়া ২৬ মার্চ ১৯৭৪ সাপ্তাহিক বিচিত্রা মেগাজিনে লিখেছিলেন, পাকিস্তানিরা যে ভয়ংকর রকমের অশুভ একটা কিছু করবে, তার সুস্পষ্ট আভাসই আমরা পেলাম। তারপর এলো ১ মার্চ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহবানে সারাদেশে শূরু হলো ব্যাপক অসহযোগ আন্দোলন। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ঘোষনা আমাদের কাছে এক গ্রীন সিগন্যাল বলে মনে হলো। সেখানে জিয়াউর রহমানের বড় সন্তান, বিএনপির সিনিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান, তারেক রহমান বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বললেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। তিনি বললেন, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বলছি, শেখ মুজিব রাজাকার, খুনি ও পাকবন্ধু ছিলেন। জিয়াউর রহমান যাকে জাতির পিতা বলে স্বীকার করে নিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু সম্মোধন করে লিখেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনকে গ্রিন সিগনাল বলে উল্লেখ করেছেন সেই মহান নেতাকে তারেক বলছেন দরাজাকার, খুনি পাকবন্ধু। তারেক রহমান বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধুও বলছেন না, বলছেন শেখ মুজিব। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে তিনি এখানে মিথ্যাবাদী হিসেবে দাড় করালেন। এপ্রসঙ্গে বিএনপির শুভাকাংখীরা বলছেন লন্ডনে তারেক জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে বার বার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে চলছেন। তিনি প্রবাসে আরো বেশি করে জামায়াত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।
অন্যদিকে বর্তমান বিএনপিতে সুস্থ চিন্তার রাজনীতিবিদদের অভাব থাকার কারণে সত্য বলার সাহস কেউ দেখাননি। দেখালে পদ থাকবে না তাই নিরবতাই সন্মতির লক্ষণ বলে বেছে নিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পদে দিয়ে বসিয়ে রাখা ফখরুল আলমগীর তার ভাবি নেতার কথাকে সমর্থন দিতে গিয়ে উল্টো প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমন করে বক্তব্য রেখেছেন। খালেদা জিয়াও স্বামীর পক্ষ নিয়ে ছেলের মিথ্যাচারকে শুদ্ধ না করে একইভাবে আক্রমন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। অর্থাত তিনিও এখানে জিয়াকে মিথ্যা বানালেন। তাহলে কি বুঝে নিতে হবে এটাই বিএনপির নতুন ধারার রাজনীতি? এখন যদি বিএনপি কখনো ক্ষমতায় আসতে পারে তাহলে নিশ্চয়ই বাংলাদেশের ইতিহাস পুরোপুরিভাবে নতুন করে লিখতে শুরু করবে যা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিজেই কখনো বলেননি। এই মিথ্যা ইতিহাস জানার জন্যে কি দেশের মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়ে আবার ক্ষমতায় আনবে? নাকি মিথ্যার রাজনীতি ও জামায়াত নির্ভর বিএনপিকে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান থেকে মুক্ত করে আনবেন? এমন একটা কিছু না ঘটলে বিএনপির রাজনীতি হয়তো ধীরে ধীরে দেওলিয়াপনার শেষ সীমায় চলে যাবে। তারেকের এই মিথ্যা বক্তব্যের জন্য আজ অনেকেরই প্রশ্ন, বিএনপির মধ্যে কি এমন একজনও সত্যবাদী নেই যিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বক্তব্যের সমর্থনে এগিয়ে আসতে পারেন?
রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির আদর্শ আসলে কি? কিসের উপর ভিত্তি করে দলটি আজ এতদূর এগিয়ে এসেছে? শুরু থেকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় একমাত্র বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদই ছিল দলটির প্রধান আদর্শ। বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বাধীনতার সেøাগান জয় বাংলা থেকে সরে গিয়ে জিয়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ সাথে পাকিস্থানের সুরে জিন্দাবাদ সেøাগান দিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। সাথে পান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের। অন্যদিকে সেনাবাহিনীর একটা বড় অংশের পরোক্ষভাবে দলটির প্রতি সমর্থন ছিল বলে অনেকে মনে করেন। কারণ ঐসময় সেনাবাহিনীতে পাকিস্থান ফেরত সেনা কর্মকর্তাদের আদিপত্ত্ব ছিল সবচেয়ে বেশি। এরা কেউই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন না করাতে তাদের দুর্বলতাকে ঢাকতে মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ছাড়া তাদের আর কোনো পথ ছিল না। এদেরই অনেকে অবসরে গিয়ে পরবর্তিতে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। বিএনপির জন্য ছিল এই সমর্থন একটা বড় শক্তি ও এক্সট্রা প্লাস।
এখন সেনাবাহিনীর মধ্যে আর এই পরিস্থিতি ও বিভক্ততা নেই। এরা সকলেই স্বাধীন বাংলাদেশের রিক্রুট। তাছাড়া বর্তমানে সেনাবাহিনী বিশ্বে শান্তি রক্ষার্থে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে আসছে। এধরনের পরিস্থিতিতে আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কিংবা সরকারে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনো ভুল পথে তারা পা বাড়াবে না বলেই অনেকে মনে করেন। বহি:শত্রুর আক্রমন ও বিদেশে শান্তি রক্ষার্থে সেনাবাহিনী কাজ করে যেতে আজ দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেনাবাহিনীকে আধুনিকতর করার লক্ষে তার সরকারের লক্ষের কথা বার বার বলেছেন। সুতরাং বিএনপি অতীতে যেভাবে সামরিক বাহিনীকে রাজনীতিতে বেবহার করার সুযোগ পেয়েছে বর্তমানে এধরনের সমর্থন তাদের পক্ষে নাই বলেই অনেকে মনে করেন।
তাছাড়া খালেদা জিয়ার ভাই মেজর (অব:) ইস্কান্দার ও ছেলে তারেকের সামরিক বাহিনীতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা নিয়ে একসময় অফিসারদের অনেকেই নাকি অসন্তষ্ট ছিলেন। সমালোচকেরা বলেন তারেকের কোনো সরকারী পদ না থাকা সত্বেও সামরিক বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানের সাথে তার উঠাবসা ছিল সবসময় লক্ষনীয় যা অনেক সামরিক অফিসার ভালো চোখে দেখেননি তখন। পর্যবেক্ষক মহলের মতে তারেক রহমান সামরিক বাহিনীর তৎকালীন গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানকে সাথে নিয়ে বিদেশও নাকি সফর করেছিলেন। অথচ এইসময় তারেকের সরকারী কোনো পদবি ছিল না। সেনাবাহিনীকে নিয়ে তারেক ও মামা অবসরপ্রাপ্ত মেজর ইস্কান্দারের এত মাখামাখি সেনাবাহিনী নাকি কখনই ভালো দৃষ্টিতে দেখেনি। তারা শুধু সময় ও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। অনেকে বলেন সেনাবাহিনীর এই তিক্ততা, মনখুন্নতা ও আক্রোশের কারণেই ২০০৬ তারেকের উপর নেমে এসেছিল এক অমানবিক নির্যাতন। যার কারণে এখনো তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। পর্যবেক্ষক মহলের মতে এসকল কারণে সেনাবাহিনী কখনই চাইবে না তারেক আবার বাংলাদেশে ফিরে আসুক। অনেকে মনে করেন তারেক রহমানের ভেতরে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে একটা প্রচন্ড প্রতিশোদের আক্রোশ দানা বেধে আছে। বর্তমান শৃক্সখলাবদ্ধ সেনাবাহিনীকে তারেকের আগমন উলটপালট করে দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে মনে অনেকে করেন। এইকারণে শুধুমাত্র রাজনীতিতেই নয় তারেক আতংক আজ বিরাজ করছে সর্বত্র। সে আতংক হলো প্রতিশোদের আগুন যা দেশ ও দেশের জনগনের জন্য শুধু খারাপ ছাড়া আর কিছুই বয়ে নিয়ে আসবে না। সুতরাং তারেক আতংক ও জামায়াত নির্ভর বর্তমান বিএনপিকে নিয়ে বাংলাদেশের জনগনকে নুতন করে ভাবতে হবে। ক্ষমতার পরিবর্তন কি শুধুমাত্র বিএনপি ও তারেক রহমানকে পুনর্বাসনের জন্য না দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য হবে বিষয়টা নিয়ে সকলেরই আরো একবার ভেবে দেখা উচিত। আস