সিসি নিউজ: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজার কটুক্তি করায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিচারের দাবিতে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নীলফামারী জেলা ইউনিট।
সোমবার দুপুরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধন নীলফামারীর জেলার ছয় উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদরে মুক্তিযোদ্ধার অংশ গ্রহণ করে।
মানববন্ধন চলাকারে এসময় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নীলফামারীনজেলা কমান্ডার ফজলুল হকের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সদর উপজেলা কমান্ডার শহিদুল ইসলাম, সৈয়দপুর উপজেলা কমান্ডার একরামুল হক, জলঢাকা উপজেলা কমান্ডার হামিদুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমান্ডার কেফায়েত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের জেলা সভাপতি কাজী মাহবুবুল হক দোদুল ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে মুক্তিযোদ্ধারা বিক্ষোভ মিছিল করে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সংবাদ সম্মেলণ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর বিরুদ্ধে কটুক্তি করায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নীলফামারীর আদালতে মানহানির মামলা রের্কড না হওয়া এবং আদেশের বিলম্ব করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে মামলার বাদী জেলার জলঢাকা উপজেলার যুবলীগ পৌর শাখার সদস্য রেজাউদ্দৌলা বাবু।
সোমবার দুপুরে নীলফামারী শহরের মিডিয়া হাউজে লিখিত বক্তব্যে বাবু বলেন, ইইতহাস বিকৃতিকারী বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ৫ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের অস্টিয়াম হলে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনায় তার ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটুক্তি করে বলেন ‘শেখ মুজিুবর রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্টদ্রোহ মামলা হওয়া উচিত, যিনি পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন, তাকে কবর থেকে তুলে তার বিচার করা উচিত এবং জাতির পিতা মুজিবকে বঙ্গবন্ধু না বলে পাক বন্ধু বলা উচিদ বলে মন্তব্য করেন।’
এমন মন্তব্য করায় জাতি হিসেবে এমন মন্তব্য করায় প্রত্যেক বাঙ্গালীর মনে আঘাত হানে। তেমনি আমার মনেও একই আঘাত হেনেছে। ঐ ঘৃণিত তারেক রহমানকে আইনের আওতায় দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাড়করানোর জন্য গত ২০ নভেম্বর নীলফামারী জেলা জজ আদালতে বিজ্ঞ আমলী আদালত-২ তার বিরুদ্ধে একটি মানহানি মামলা দায়ের করি।
কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের বিচারক আমাকে সেই দিন অনেক জেরা করে আমার জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে মামলাটি রের্কড করে নাই। শুধু তাই নয় পরবর্তীতে আদেশের বিষয়ে কোন নির্দেশনা না দিয়ে তিনি মামলাটি স্থিতিবস্থায় রাখেন। র্দীঘ এক মাস যাবত উক্ত মামলাটির কোন রুপ ফলাফল না পেয়ে আমি হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আইন যদি সবার জন্য সমান হয় তবে ইতিহাস বিকৃতিকারী তারকের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না?
বিজ্ঞ আদালতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রর্দশণ করে তিনি বলেন, ‘একজন নাগরিক হিসেবে আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার যেমন আমার আছে, তেমনি মামলাটি খারিজ বা বহাল রাখার এখতিয়ার বিজ্ঞ আদালতের আছে। কিন্তু জানিনা কি অজানা করাণে আদালতের বিচারক আদেশ দান, রেকর্ড করণ কিংবা খারিজ কোনটাই করছেন না।’
এসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় আইনমন্ত্রী, বিচার বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের দৃষ্টি আর্কষণ করে তিনি বলেন, তারেক রহমানসহ আর কোন দূর্বৃত্ত যেন বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কটুক্তিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার ধৃষ্টতা না দেখায় সেই জন্য মামলাটি নথিভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কারর জন্য দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জলঢাকা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিবুল গনি স্বপন ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব শাহেদ উপস্থিত ছিলেন।