• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

দিনাজপুরে বিএনপি নেতা আশরাফুল আলমসহ ১৪ নেতাকমীর বিরুদ্ধে মামলা

mamlaদিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমানের গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় প্রয়াতমন্ত্রী খুরশিদ জাহান হকের বড় ছেলে শাহরিয়ার আকতার হক ডনের সমর্থক জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আশরাফুল আলমসহ বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৩০-৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম বাদী হয়ে ঘটনার ১০ দিন পর গত রবিবার কোতয়ালী থানায় এই মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৪৬, ধারা ১৩৪/৩৪১/৩৪২/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৫০৬/১১৪ ও তারিখ-২১-১২-২০১৪।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার আনুমানিক বিকেল ৩টায় সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, তার সঙ্গী রায়হানুল ইসলাম ও তার গাড়ী চালক সহিদুল শহরের লুৎফুন নেছা টাওয়ারের মালিক (জেলা বিএনপির সভাপতি) আলহাজ্ব লুৎফর রহমানের মুন্সিপাড়াস্থ বাসা হতে দাওয়াত খেয়ে চাউলিয়াপট্টিস্থ মাহবুবুর রহমানের ছোট ভাই মতিউর রহমানের বাসায় যাওয়ার পথে লিলির মোড়ের পূর্ব পাশে লুৎফুন নেছা টাওয়ারের সামনে আসামী আশরাফুল আলম (৫৫) (জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক), হাসান আমিনুর রশিদ (৪৪) (সাবেক যুবদল নেতা), মহিউদ্দীন মন্ডল বকুল (৩৭) (ছাত্রদল নেতা), আমিনুল ইসলাম মুন্না (৪২) (সাবেক যুবদল নেতা), বিএনপি নেতা আশরাফুজ্জামান বাবু (৪৩) (খড়িবাবু), আব্দুর রশিদ রুবেল (৩৮), করিম (৩৫), মাসুম খান (৩৫) (ছাত্রদল নেতা), রিসান (২০), রনি (২২), লিটন (৪৩), পাগলা (১২), শাহিন (৩০), আব্দুস সামাদ (৪৮) ও দুর্জয়সহ অজ্ঞাত আরো ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রিভলভার, চাইনিচ কুড়াল, লোহার রড, ধারালো ছোরাসহ অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মাহবুবুর রহমানকে বহনকারী টয়োটা মোটর কারটির গতি রোধ করে।
এ সময় তারা কারের পিছনের গ্লাস ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে জেনারেল মাহবুবুর রহমানসহ তার সঙ্গীকে গাড়ী হতে টেনে হেচড়ে নামিয়ে আসামী আমিনুল ইসলাম মুন্নার হাতে থাকা চাইনিচ কুড়াল দিয়ে গাড়ীর বাম পাশের গ্লাসটি ভাংচুর করে গাড়ীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। আসামীরা জেনারেল মাহবুবুর রহমানসহ তার সঙ্গীদের নিকট হতে নগদ ৮৫ হাজার টাকা, একটি নোকিয়া মোবাইল যার মূল্য ৬৫০০/- টাকা ছিনিয়ে নেয়। মামলায় আরো উল্লেখ্য করা হয়, উল্লেখিত আসামীরা জেনালে মাহবুবুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘিরে ধরলে তার সঙ্গী জাপটিয়ে ধরে তাকে প্রানে রক্ষা করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও পথচারীরা উপস্থিত হলে আসামীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে গেলে পুলিশের সহায়তায় জেনারেল মাহবুবুর রহমান ও তার সঙ্গীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। মামলায় বলা হয়, জেনারেল মাহবুবুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যেই টয়োটা এলিয়ন গাড়ীর গ্লাস ভাঙচর করে। তাদের হামলায় প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। পুলিশ সহায়তা না করলে আসামীরা জেনারেল মাহবুবুর রহমানকে মেরে ফেলতো বলে মামলার অঅরজিতে উল্লেখ করা হয়।
মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে মোস্তফা কামাল মিলন (জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক), মাসুদুল ইসলাম মাসুদ (জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক), জাহাঙ্গীর আলম (জেলা যুবদলের আহবায়ক), যুবদল নেতা মুকুল ও সৈয়দ জাকির হোসেন বাবুকে (পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক)।
সাক্ষীদের সাথে পরামর্শ করে আসামীদের নাম ঠিকানা যোগাড় করতে বিলম্ব হওয়ায় মামলা করতে দেরী হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ