• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পঞ্চগড়ে ওসি’র বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

Cintaiপঞ্চগড় : তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে পাথর ব্যবসায়ীর দুই লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ছিনতাইয়ের শিকার পাথর ব্যবসায়ী মো. বেলাল হোসেন ছিনতাইকৃত টাকা ফেরৎ ও ঘটনার তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে নিজের রেকর্ডভুক্ত জমিতে শ্রমিক দ্বারা মাটি কেটে পাথর উত্তোলন করতে থাকেন তেঁতুলিয়া উপজেলার মাঝিপাড়া গ্রামের মৃত ছফর আলীর ছেলে মো. বেলাল হোসেন।
কাজ চলাকালীন দুপুর ১ টায় তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, এএসআই মো. শহিদসহ ৪ থেকে ৫ জন পুলিশ সদস্য ডাহুক নদীর তীরবর্তী পাথরের সাইডে উপস্থিত হন।
এ সময় ওসি মো. আসাদুজ্জামান প্রকাশ্যে চাঁদা দাবির এক পর্যায়ে মো. বেলাল হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ২ লাখ ২৫ হাজার ছিনিয়ে নেন। এএসআই শহীদ বেলালের হাতে থাকা মুঠোফোনটিও কেড়ে নেয়। অন্য পুলিশ সদস্যরা শ্যালো মেশিনের জ্বালানির ১ শত লিটার ডিজেল গাড়িতে তুলে নেয়।
খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমানসহ কয়েকজন ইউপি সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে শ্রমিকদের প্রতিরোধের মুখে পুলিশ ডিজেল ও মুঠোফোন ফেরৎ দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।
ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় পুলিশ কর্মকর্তা যে কোন মামলায় ফাঁসানোর হুমকি প্রদান ও গালিগালাজ করেন বেলালকে। টাকা ফেরৎ পেতে বেলাল হোসেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পাথর বালি সমিতির সভাপতি ও সম্পাদককে ঘটনা সর্ম্পকে অবহিত করেন।
তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামানের কাছে (মুঠোফোনে) ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে কোন প্রকার মন্তব্য না করে তিনি বলেন, একজন সাংবাদিককে বক্তব্য প্রদান করেছি তার কাছে জেনে নিন।
এ ব্যাপারে পঞ্চগড় জেলা পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, অভিযোগটি কতটুকু সত্য তা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উৎস: শীর্ষ নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ