• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খাওয়ার ৭ বদভ্যাস ত্যাগ করে সুস্থ থাকুন

full_50318197_1419332473লাইফস্টাইল ডেস্ক: ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বাড়তি খাবার কিংবা অস্বাস্থ্যকর ফাস্ট ফুড বাদ দেয়ার পর ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করেন। যদিও এ ধরনের কাজের সুফল নষ্ট হতে পারে নিচে দেয়া সাতটি কারণে। তাই সুফল পেতে হলে এ কাজগুলোও বাদ দিতে হবে।

# প্যাকেটজাত ডায়েট খাবার
বাজারে বিক্রি হওয়া বহু খাবারই রয়েছে ডায়েট লেবেলযুক্ত। এসব খাবার আপনার দেহের ক্যালরি বাড়াবে না-এমনটাই প্রচার করে প্রতিষ্ঠানগুলো। যদিও বাস্তবে এ ধরনের খাবারগুলোর স্বাদ তৈরির জন্য অপ্রয়োজনীয় বহু উপাদান দেয়া হয়। এ উপাদানগুলো স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এছাড়া এগুলো প্রায়ই ক্ষুধা দূর করে না।

# আবেগগত খাবার
খাবার খাওয়া উচিত দেহের শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য ক্ষুধা দূর করতে। কিন্তু অনেকেই এ উদ্দেশের বাইরের নানা কারণে খাবার খেতে অভ্যস্ত। অনেকেই একঘেয়েমি, উদ্বেগ, রাগ কিংবা সুখের কারণে বাড়তি খাবার খান।

এছাড়া রয়েছে খাবারের ছবি দেখা, রেস্টুরেন্টের প্রলোভন কিংবা হাতের নাগালে অতিরিক্ত খাবার থাকার কারণে বাড়তি খাওয়ার প্রবণতা। এসব বিষয় ছাড়াও রয়েছে মানসিক ক্ষুধা। দেহের জন্য ক্ষতিকর এই অভ্যাসগুলো বর্জন করাই ভালো।

# অতিরিক্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস ভালো। তবে তা যদি অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করার পর্যায়ে চলে যায়, তা মোটেই ভালো নয়। অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। আর তাই এ ধরনের খাবারও আপনি যত ইচ্ছা তত খেতে পারবেন না।

# কোনো একটি বেলার খাবার বাদ দেয়া
সকালের নাশতা বা কোনো একটি বেলার খাবার বাদ দেয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। আর এ অভ্যাস মোটেই ভালো নয়। এতে শরীরের ক্যালরি তেমন একটা না পুড়লেও দেহের ক্ষতি হয়।

এছাড়া বাড়তি ক্ষুধার কারণে পরবর্তী খাবারের সময় অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। খাওয়া কমাতে এ কাজটি মোটেও কাজ করে না। তাই দিনের খাবার বাদ দেয়ার বদলে বড় খাবারের কিছু আগে অল্প খাবার খেতে বলেন অনেক বিশেষজ্ঞ। এতে ক্ষুধা কমে যাবে।

# সারাক্ষন ক্যালরি গোনা
ওজন-সচেতন অনেকেই খাবার খাওয়ার আগে ক্যালরি গোনা শুরু করেন। আর এতে সমস্যা কমার বদলে বেড়ে যায়। কারণ ক্যালরির হিসাব সব ক্ষেত্রে সমানভাবে কাজ করে না।

গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যালরি হিসাব করে খেতে গিয়ে অনেকেই প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। নারীদের ক্ষেত্রে এটি বেশি হয়। এতে কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়ে শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে।

# পানীয়
বাজারে প্রচলিত কোমল পানীয় নামধারী সফট ড্রিংকস কিংবা হার্ড ড্রিংকস, যে পানীয়ই হোক না কেন, তা বর্জন করাই শ্রেয়। কারণ এগুলো দেহের ক্যালরির মাত্রা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। আর এই বৃদ্ধির ফল মোটেই ভালো হয় না।

# ফ্যাট সম্পূর্ণভাবে বাদ দেয়া
অনেক পুষ্টি বিশেষজ্ঞই মানুষের ভুল ধারণাটি বাদ দেয়ার চেষ্টা করছেন যে, ফ্যাট খাবার খেলেই তা দেহের চর্বি বাড়ায়। বিষয়টি এর চেয়ে অনেক জটিল। ফ্যাটসমৃদ্ধ বহু নিরামিষ রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং পরিমিত খেলে তা দেহের চর্বি বাড়ায় না। ফ্যাট পাকস্থলীতে বহু সময় ধরে অবস্থান করে এবং বাড়তি খাওয়ার ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। ভেষজ ফ্যাট বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। এতে দেহের জন্য উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ