• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জেনে নিন ডায়াবেটিস নিয়ে কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা

full_1স্বাস্থ্য ডেস্ক : ডায়াবেটিস রোগকে চিনেনা এমন লোক পাওয়া কঠিন। আজকাল প্রতি ১০ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মধ্যে গড়ে ৫ জনের ডায়বেটিস হয়ে থাকে। কিন্তু এই অসুখটি নিয়ে আমাদের মধ্যেই রয়েছে কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা, যা আসলে বাস্তবে একদম সত্যি নয়। চলুন তাহলে জেনে নিই ডায়বেটিস নিয়ে প্রচলিত সেসব ভুল ধারণা ও এর বাস্তব সত্য সম্পর্কে।

প্রচলিত ভুল ধারনাঃ-  চিনি বেশি খেলে ডায়বেটিস হয়।

প্রকৃত সত্যঃ-
না এটি মোটেও সত্য নয়। জিনগত এবং কিছু অজানা প্রভাবক টাইপ-১ ডায়বেটিসের কারণ। টাইপ-২ ডায়বেটিসের কারণ জিনগত এবং জীবনযাত্রার ধরন।

ওজন বেশি হলে ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়ে এবং বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার, তা চিনি বা চর্বি যেখান থেকেই আসুক না কেন, ওজন বাড়ায়। কারো যদি ডায়বেটিসের পারিবারিক ইতিহাস থাকে, তবে তার উচিত হবে স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে ওজন ঠিক রাখা।

প্রচলিত ভুল ধারনাঃ-   শুধু বেশি ওজনের বা মোটা মানুষই ডায়বেটিসে আক্রান্ত হয়।

প্রকৃত সত্যঃ-
মাত্রাতিরিক্ত ওজন ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার একটি ঝুঁকি মাত্র। এক্ষেত্রে অন্যান্য ঝুঁকি, যেমন পারিবারিক ইতিহাস, জাতিস্বত্বা, বয়স ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার জন্য নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।

অনেকেই এই ধারণা পোষণ করেন যে, বেশি ওজনই ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার একমাত্র ঝুঁকি। অনেক মোটা মানুষের কিন্তু ডায়বেটিস নেই। আবার অনেক ডায়বেটিস রোগীর ওজন স্বাভাবিক এমনকি স্বাভাবিকের চেয়েও কম।

প্রচলিত ভুল ধারণাঃ-  ডায়াবেটিক রোগীদের বিশেষ ডায়াবেটিক খাবার খেতে হয়।

প্রকৃত সত্যঃ-
ডায়াবেটিক রোগীদের ও একটি সুস্থ মানুষের খাবার তালিকার মধ্যে তেমন কোনো অমিল নেই। কম চর্বি, পরিমিত লবণ আর চিনি এর পূর্ণ দানাযুক্ত খাদ্য, শাকসবজি ও ফলমূল এগুলোর মিশ্রণই হতে পারে আদর্শ খাবার। তথাকথিত ডায়াবেটিক খাবারে অতিরিক্ত কোন উপকার পাওয়া যায়না।

প্রচলিত ভুল ধারণাঃ-   ডায়াবেটিক রোগী মিষ্টি জাতীয় কোন কিছু বা চকলেট খেতে পারবেনা।

প্রকৃত সত্যঃ-
যদি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য তালিকার সাথে উপযুক্ত শরীরচর্চার যোগ ঘটানো যায়, তবে ডায়াবেটিক রোগীরাও মিষ্টি জাতীয় খাবার ও ফলাহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিক রোগী ও সুস্থ মানুষের মধ্যে কোন সীমারেখা নেই।

মিষ্টি জাতীয় খাবার একদম বাদ দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই, শুধু পরিমান সীমার মধ্যে থাকা চাই। মিষ্টিজাতীয় খাবারে যে শুধু ক্যালরিই থাকে তা নয়, এতে প্রচুর পরিমানে চিনি থাকে যা রক্তের গ্লুকোজের পরিমান বাড়িয়ে দিতে পারে। রক্তের গ্লুকোজের পরিমান ঠিক রাখতে শুধু কম শর্করাযুক্ত খাবার খাওয়ার পরই ফলাহার করা উচিত।

প্রচলিত ভুল ধারণাঃ-  ফল স্বাস্থ্যকর খাদ্য, তাই যত ইচ্ছা ফল খাওয়া যেতে পারে।

প্রকৃত সত্যঃ-
ফল অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে আঁশ ছাড়াও প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। কিন্তু ফলে শর্করাও থাকে যাকে অবশ্যই খাদ্য তালিকার সাথে সমন্বয় করতে হবে। প্রয়োজনে ডায়েটিশিয়ানের সাথে আলাপ করে ঠিক করুন কোন ফল কতবার কী পরিমানে খেতে পারেন।

প্রচলিত ভুল ধারণাঃ-  আপনার অতি সামান্য বা অল্প পরিমানে ডায়াবেটিক থাকতে পারে।

প্রকৃত সত্যঃ-
সামান্য পরিমান ডায়াবেটিস বলে কোনো কথা নেই। হয় আপনার ডায়াবেটিস আছে অথবা নেই, এর মাঝামাঝি কিছু নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ