পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা শহরের দবিদ্র স্কুল ছাত্রীকে প্রেমের ফাদে ফেলে যৌননির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রহস্যজনক টালবাহানার অভিযোগ উঠেছে। ২৫ ডিসেম্বর থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দেয়া হলেও অদ্যাবধি অভিযোগটি বিনা ব্যবস্থায় পড়ে রয়েছে। উল্টো আইন অনুযায়ী শালিস অযোগ্য এ ঘটনাটি মধ্যস্থতার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী। যাতে করে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এ স্কুল ছাত্রীর।
পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী সোহাগীকে ফুসলিয়ে প্রেমের ফাদে ফেলে তারই প্রতিবেশী স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বখাটে পুত্র জসিম উদ্দিন। পরবর্তীতে জুসের সাথে নেশাজাতীয় ওষুধ খাইয়ে একাধিকবার যৌন নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে সোহাগী গত ২১ ডিসেম্বর এ ঘটনার বিচারের জন্য জসিমের বাড়ীতে গিয়ে ওঠে কিন্তু জসিম এর পরিবারের সদস্যরা তাকে মারপিট করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সাথে সাথে তাকে পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হলে ৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৫ ডিসেম্বর হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে থানায় ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করে জসিম সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়। এজাহার দাখিলের কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও অভিযোগটি রেকর্ড না করে স্থানীয়ভাবে মিমাংসার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে বাদীর পরিবারকে। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মুরশিদুল করিম মো: ইজতেশাম বলেন, বিষয়টি পুরাতন এবং নানামূখী চাপের কারনে আমি তাদেরকে আদালতে মামলা করতে বলেছি। ডিসেম্বর মাস আদালত বন্ধ জানালে তিনি বলেন কযেকদিন পরেইতো আদালত খুলবে, তখন করবে। সচেতন মহল এ বিষয়ে পুলিশের উর্ধতন প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।