• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কালিয়াকৈরে হবে ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি

image_112021_0ঢাকা: প্রস্তাবনার পাঁচ বছরের মাথায় অনুমোদন পেল ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি রূপরেখা। সোমবার মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে এই আইনের খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। খসড়া আইন অনুযায়ী কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্ক সংলগ্ন গাজীপুরের চন্দ্রার মোড়ে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজের জায়গাতেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিদ মোস্তাফা জব্বার কর্তৃক প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ক্লাশরুম, হলরুম, বসার ঘর, খাবার ঘর, ছাত্রাবাস, শিক্ষক কোয়ার্টার, লবিতে থাকবে বড় পর্দার মনিটর/টিভি। তাতে থাকবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা। এর পাশাপাশি থাকবে ইন্টারনেট কিয়স্ক। সব ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকার থাকবে বহনযোগ্য ডিজিটাল যন্ত্র। সব পাঠ্য বিষয় হবে ডিজিটাল। সকল বিষয়কে ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যারে রূপান্তর করে সেটি পাঠদানের পদ্ধতি হিসেবে প্রয়োগ করা হবে। কাগজের বইকে ডিজিটাল সফটওয়্যারে রূপান্তর করে সেই বইসমূহ রেফারেন্স হিসেবে পাঠ্য করা হবে।  প্রত্যেকের ইন্টারনেটের গতি হবে কমপক্ষে ১ এমবিপিএস

পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা হবে অনলাইন। খাবারের ব্যবস্থা থেকে ঘর পরিষ্কার করা পর্যন্ত সব কাজের ব্যবস্থাপনা ও তদারকি হবে তথ্যপ্রযুক্তিতে। সব পাবলিক প্লেসে বিরাজ করবে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ চলবে সব পাবলিক স্থানে। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার জন্য যতটা সম্ভব ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। তালার বদলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা চোখের মনি মেলানোতেই একসেস থাকবে। ওখানে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ইতিহাস নিয়ে একটি জাদুঘর গড়ে তোলার ইচ্ছাও ছিল। বস্তুত এটি হবে ডিজিটাল শিক্ষার শ্রেষ্ঠতম কেন্দ্র। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের সেরা গবেষণার কাজগুলো এখানেই।

সূত্রমতে, কোরিয়া সরকারের কাছ থেকে ৫ শতাংশ সুদে প্রাপ্ত ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার কথা।

ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়ার বিষয়ে বিজয়-বাংলা রূপকার মোস্তাফা জব্বার নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, আমার এ্ই প্রস্তাব ও ধারনাটি ২০০৮ সালের। কোরিয়া ও বাংলাদেশের সরকারের সাথে আলোচনার পর ২০০৯ সালের ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি এবং বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গাজীপুরে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সমঝোতা স্মারক সই করে। আমি কম্পি্উটার সমিতির সভাপতি হিসেবে ও নিয়াজ সাহেব মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সই করেছিলেন। কিন্তু আমরা সেই কাজটি আইনের অভাবে সম্পন্ন করতে পারিনি। এখন সরকার সেটি বাস্তবায়ন করছে। আশা করি যেমনটা স্বপ্ন দেখেছিলাম তেমনটিই হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ