• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে তামাকের আবাদ বেড়েই চলেছে

Nil.photo-12.01সিসি নিউজ: ‘ধূমপান স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর’- এ গদবাঁধা কথাগুলো ধোপে টিকছে না নীলফামারীর মাঠ পর্যায়ের তামাক চাষীদের বেলায়। বিড়ি-সিগারেট কোম্পানী গুলো তামাক চাষে কৃষকদের মাঝে আগাম টাকা দেয়া এবং ধানের তুলনায় তামাকে মুনাফা বেশী থাকায় তামাক চাষে উৎসাহিত হচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষকরা।
তামাক চাষের জন্য সেই থেকে বিখ্যাত হয়ে আছে নীলফামারী জেলা। যে সূচক আজও বহাল থাকলেও মাঝে-মধ্যে তা স্ফিত হচ্ছে। স্বাভাবিক কারনেই ধানের পর তামাক চাষে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে এই এলাকার কৃষক।
সরেজমিন ঘুরে এবং বিভিন্ন সূত্রের প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন বড়-বড় হাট বাজারে প্রতিষ্ঠিত বিড়ি-সিগারেট কোম্পানির অফিসগুলো থেকে এলাকার কৃষকদের তামাক চাষের আগাম টাকা দেয়াসহ সার ও কীটনাশক ও বিভিন্ন  সহযোগিতা প্রদান করে থাকেন। এছাড়া সার-সেচের স্বল্প খরচ ও রোগ-বালাইর তেমন একটা ঝক্কি-ঝামেলা না থাকা এবং অধিক লাভের আশায় তামাকের দিকেই কৃষকরা বেশী ঝুঁকছে। ফলে এ অঞ্চলে তামাকের চাষ আশংকাজনক হারে বেড়ে চলেছে। গত বছর নীলফামারী জেলার ৬ উপজেলায় মোট ৪ হাজার ৯শ’ ৩৫ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছিলো । কিন্তু এ বছর তা বেড়ে ৫ হাজার হেক্টর ছাড়িয়ে যাবে বলে নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মনে করছে।                                                                                                                                                      এদিকে, গতবার কৃষকরা ধানের ন্যায্য দাম পায়নি। এ সময় বিদ্যুৎ, সার ও কীটনাশকসহ নানা ঝামেলা রয়েছে বোরো চাষে। এ কারণে এবছর বোরোসহ অন্যান্য ফসলের চাষ থেকে কৃষকরা ক্ষাণিকটা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। দৃষ্টি দিচ্ছেন তামাক চাষে। নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া সরেমজানি ইউনিয়নের মহুবার রহমান, শহিদুল ইসলাম, টুপামারী ইউনিয়নের বাজার মৌজা গ্রামের আনিছার ,মকবুল হোসেন এবং জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের সামছুল ইসলাম, সাব্বির হোসেসহ অনেক কৃষকই জানান, গত কয়েক বছর ধরে বোরো ধানের দাম তেমনটা মেলেনি। তাই বোরো ধানের চাষ কমিয়ে দিয়ে তামাক চাষ করছি। এছাড়া তামাক বিক্রির ঝামেলা নেই, ক্রেতারা বাড়ি এসে কিনে নিয়ে যায়। তামাকের মুড়াও (মূল) বিক্রি করে ভালো টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে এখনও তাদের কেউ কোন কথা বলেননি। নেই এ বিষয়ে প্রচারণাও। এদিকে ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ এ কথাগুলো শুধুু লেখার ভেতরেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, বাস্তবে এর তেমন একটা প্রয়োগ নেই।
নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী বলেন, তামাকের পরিবর্তে অন্যান্য ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কিন্তু তার পরেও তামাক চাষ রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ