• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

চিলমারীতে র্কমসৃজন প্রকল্পে অনিয়ম

Oniমোঃ হাবিবুর রহমান, চিলমারী: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে হতদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পে অনিয়ম ও র্দুনীতির অভিযোগ ও স্বজনপ্রীতি অভিযোগ উঠেছে। চেয়ারম্যান, স্থানীয় মেম্বার ও নামে মাত্র কিছু গন্যমান্য ব্যাক্তিকে নিয়ে তালিকা প্রনয়নের সময় উৎকোচ নিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান। যে বেশি টাকা দিছে সে কাজ পেয়েছে যে পড়ে দিয়েছে তার নাম পড়ে দিবে না হয় অন্য কিছু দিবে বলে আসা দিচ্ছে। আর যারা টাকা দিতে পারছেন না তাদের নাম ঐ তালিকায় উঠা তো দুরের কথা তারা জনপ্রতিনিধিদের দুয়ারেই যেতে সাহস পাচ্ছেনা। ফলে অনেক হতদরিদ্র বঞ্চিত থেকেছেন সরকারের দেয়া আপৎকালীন এ কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে। তবে অনুসন্ধাতে জানা গেছে চেয়ারম্যান, মেম্বারদের আতœীয়-স্বজন, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের লোকজনের তালিকায় নাম থাকায় বাদ পড়েছেন হতদরিদ্ররা। এছাড়াও অনেক মেম্বার নিজের পরিবারের সদস্যদের নামও তালিকাভুক্ত করেছেন। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ দেখতে গেলে এলাকার হতদরিদ্রদের প্রশ্নের মুখে পড়েন এ প্রতিনিধি তারা একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন চেয়ারম্যান মেম্বারের বিরুদ্ধে। রাধাবল্লভ এলাকায় কর্মসৃজন প্রকল্পের নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক সুবিধাভূগি শ্রমিক জানান, আলম মেম্বার তাদের কাজ থেকে ২ থেকে ৩ হাজার করে টাকা নিয়েছে আর যারা কম দিছে তাদের দিতে হবে কাজ করা অবস্থায়। তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, শুধু মেম্বার নয় এলাকার চকিদার দেলাবরও ২শত টাকা করে নিয়েছে। তবে অভিযুক্ত আলম মেম্বার টাকা নেওয়ার কথা অশিকার করেন। একই ভাবে শতশত অসহায় মানুষ চেয়ারম্যান, মেম্বারদের অঘোষিত নিয়োগ প্রাপ্ত দালালের খপ্পরে পড়ে আছেন। সুরেশ মাষ্টার গ্রামের রবিউলসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন যারা টাকা দিছে তারা ভাতার কাড, ভিজিডি কাড. মাটি কাটার কাম পাইছে আবার অনেকে ২/৩টা করিও পাইছে। এসময় এরকম কয়েক জনের নাম জানতে চাইলে তারা জানায় এটা বলে দিলে মেম্বার, চেয়ারম্যান ও এসব সুবিধাভুগি লোকজন আমাদের উপর হামলা চালাবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই উপজেলার প্রথম দফায় ৫৪টি প্রকল্পের মধ্যে ৫২টি প্রকল্পে ১৪৬৬ জন শ্রমিক দিয়ে র্কমসৃজন প্রকল্পের কাজ চলছে। কাজ শেষ পর্যায় এলেও অবশেষে অনেক জটিলতার মধ্য দিয়ে ৩১ জানুয়ারী/১৫ রমনা মডেল ইউনিয়নের ২টি ওয়ার্ডে ৬৩ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে সুবিধাভুগিরা। এদিকে সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে কোথাও তেমন কাজ হয়নি এসব শ্রমিক কাজ করার চাইতে গল্পগুজব, বসে থেকেই বেশি সময় কাঁটান। শ্রমিক জানান নাম বসার জন্য টাকা দিছি আবার সারাদিন কামও করমো। তবে থানাহাট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ঘুরে শ্রমিকদের কাজ করতে এবং কাজের মান অনেকটা ভালো দেখা গেছে। যে সময় দিনমজুরদের হাতে কাজের সুযোগ থাকে না কষ্ঠ করে জীবিকা নির্বাহ করতে হয় ঠিক ঐ সময় তাদের হাতে কাজ দেয়ার ও জীবিকা নির্বাহের জন্য সরকার কয়েক বছর থেকে অতি দরিদ্রদের জন্য এই র্কমসূচি চালু করেছেন। বছরের দু’সময়ে ৬০ অথবা ৪০ দিন করে দৈনিক ২শত টাকা হারে মজুরি দেয়া হয় কাজের সঙ্গে যুক্ত তালিকাভুক্ত হতদরিদ্রদের। কিন্তু সেই তালিকায় নাম ওঠাতে গেলে তা উৎকোচ ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা ছাড়া তালিকায় নাম ওঠে না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগিরা। একটি সূত্র জানান প্রকল্পের সাথে জরিত অনেক মেম্বার, চেয়ারম্যানরা সুযোগ বুঝে এই শ্রমিকদের দিয়ে নিজের বাড়িতে জমিতে কাজ করাচ্ছে। এসব দূর্নীতি, স্বজনপ্রিতি, অনিয়মের ফলে সরকারের এই র্কমসূচির কার্যক্রম ভেস্তে যেতে বসেছে। এব্যাপারে সদর থানাহাট ইউপি চেয়ারম্যান হালিমুজ্জান বাবলু টাকা ও দালাল নিয়োগের কথা অশিকার করেন। পরে উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে কথা হলে এব্যাপারে তিনি কোন মন্তব করেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ