• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পুলিশি হয়রানির ভয়: বিপদে পাশে দ‍াঁড়াচ্ছে না কেউ

43361_1সিসি নিউজ: বিপদগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসার ঘটনা ক্রমেই যেন কমে আসছে সমাজে। বিশেষ করে, হামলা বা হত্যাচেষ্টার পর গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেও এগোচ্ছেন না অনেকে। তারা বলছেন, সদিচ্ছা থাকলেও পুলিশি হয়রানির ভয়ে ঘটনার সঙ্গে নিজেকে জড়াতে চান না।

এদিকে, সামষ্টিক আচরণে নেতিবাচক এই পরিবর্তন সমাজ জীবনে ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘অন্যের জন্য এগিয়ে গেলে নিজে আবার বিপদে পড়ার সম্ভাবনা থাকে, সেই কারণে একদিকে আমরা স্বার্থপর হচ্ছি, নিষ্ক্রিয়তা বাড়ছে, এটি সমাজের মধ্যে বিভাজন তৈরি করবে, সমাজকে বিশৃঙ্খল করবে।

সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্য। বাহুবন্ধ সারিতে জোর প্রতিরোধের এই স্থাপত্যটিকে বলা হয় ‘সন্ত্রাস বিরোধিতার মূর্ত প্রতীক’। অথচ টিএসসি গোল চত্বরের এই ভাস্কর্য থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরে ক’দিন আগে কুপিয়ে হত্যা করা হলো ব্লগার প্রকৌশলী অভিজিৎ রায়কে। আশপাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন অসংখ্য মানুষ, কিন্তু হামলাকারীদের প্রতিহত করার সাহস দেখায়নি কেউ। এমনকি আকুতি জানানোর পরও দেখা যায়নি সাহায্যের এতোটুকু হাত পর্যন্ত বাড়াতে।

একই চিত্র ধরা পড়ে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক শফিউল ইসলামের ওপর হামলার পরও। রক্তাক্ত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ রাস্তার ধারে পড়ে থাকার পর পরিচিতজনরা হাসপাতালে নিলে তার মৃত্যু হয়।

একজন বাম নেতা বললেন, আমাদের শিক্ষাব্যাবস্থা সবাইকে আত্মকেন্দ্রীক ও স্বার্থপর করে তুলছে।

মুক্তিযুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইয়ের গৌরব রয়েছে যে জাতির, তাদের আচরণে হঠাৎ এই পরিবর্তন কেন? প্রশ্ন ছিলো সাধারণ মানুষের কাছে। তারা বলেন, পুলিশি হয়রানির কথা চিন্তা করেই দূরে থাকেন সাধারণ মানুষ।

তাদের এসব ভয় যে অমূলক নয়, তার প্রমাণও পাওয়া গেলো। ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে হামলায় গুরুতর আহত অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র। সাধুবাদের চেয়ে পরবর্তীতে তাদেরকে বেশি হতে হয়েছে পুলিশি হয়রানির শিকার। সূত্র: টিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ