• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বন্ধুত্ব…

gobindaগোবিন্দ সাহা ।। একদা এক সময় কিছু সংখ্যক ছেলে-মেয়ে মহাবিদ্যালয়ে বিদ্যা নিতে যেত । (যদিও বিদ্যার থেকে তাদের দূরুত্ব যোজন যোজন দূরে ছিল) । আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব হলো । এদের মাঝেই গুটিকয়েক পিছনে গিবত করত, আবার কেউ প্রয়োজন মেটাতো, কেউবা সত্যিকারের বন্ধু ছিল । চিনল জানল শিখল । কেউ খারাপ হলো, কেউ হলো দুধে ধোয়া পবিত্র । কেউ ঠাট্টা পছন্দ করত আবার করত না । তাদের মাঝে আমি কজন কে দেখতাম, বুঝতাম তারা ভালই বাকিদের চেয়ে । আমি তাদের মাঝে এক বোকাকে খুঁজে পেলাম । সবচেয়ে ভাল বিশেষণে বিশেষায়িত করলে তা হবে গাঁধা । এর চেয়ে ভাল কিছু জানা নেই তবে এর থেকেও অনেক খারাপ শব্দ তার জন্য প্রযোজ্য । বোকারাম হাদার মত ক্লাস করত । পরে ছেলেটার সাথে কথা বলেছিলাম। ছেলেটা দেখি বেশিই পরোপকারী টাইপের, তার মাঝে কোন জটিলতা নেই এক বাক্যে সাদাসিধে । মাঝখানে ব্যস্ততার কারণে ওদের গতিবিধি দেখতে পারি নি । বহুদিন পর যখন যাচ্ছি রাস্তা দিযে দেখলাম ছেলেটা ছন্নছাড়া । আমি ডেকে বললাম, “কি হয়েছে তোমার?  তোমার এত কাছের বন্ধু বান্ধব কোথায়?” সে নীরবে চলে গেল।

(কয়েকদিন পর…)

ছেলেটা লাইব্রেরীতে বই পড়ছে তো কাছে গিয়ে তার কষ্ট বুঝার চেষ্টা চালালাম। এক সময় সব কথা বেরিয়ে এল তার । শুনে আমারই খারাপ লাগল । মনে মনে বললাম, যাক এতদিনে মানুষ হইলি আর মানুষকে একটু চিনলি । মুখে বললাম, “দেখ মানুষকে চোখ দিয়ে নয় মন থেকে বুঝতে চেষ্টা কর সে কেমন হতে পারে । আর এত বন্ধুত্ব দেখাও কেন? স্বার্থপর হও.. এগুলো মাথায় এনে নিজের আয়ু কমাবাই বা কেন!! পড় এগুলো ভাবনা বাদ দিয়ে । আর যে তোমার প্রকৃত বন্ধু সে ভুলগুলো বুঝে আবার বন্ধুত্ব করবে ।”

সব শুনে ছেলেটা অনেক খুশি হলো… আমাকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করল ।

কিছুদিন পর দেখি এ কি পরিবর্তন !! অবাক করা ! তাদের সাথে আজ মিশে না তবে আমার কাছে প্রায়ই আসত । পরামর্শ বা যেটাই হোক না কেন আমাক সে জানাতো । সে নাকি আমাকেই অনেক উত্তম বন্ধু ভাবে । যাক আমি আনন্দিত ।

মোটকথা, সঠিক বন্ধু নির্বাচন একটি বিরাট ব্যাপার । বেশি নয় একটি প্রকৃত বন্ধুই যথেষ্ট । বন্ধুত্ব করা কোন ব্যাপার না তবে তা রক্ষা করা কঠিন ।

লেখক: গোবিন্দ সাহা

এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর

ফেসবুকে লেখক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ