সিসি নিউজ: নীলফামারীতে এক গৃহবধুকে জোরপূর্বক স্থায়ী বন্ধাকরণ করার অভিযোগে দুই চিকিৎসকসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ে হয়েছে। বুধবার ওই গৃহবধুর স্বামী মিজানুর রহমান বাদি হয়ে নীলফামারী চীফজুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামী হলেন নীলফামারী জলঢাকা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী চিকিৎসক ডা. সাখায়াৎ হোসেন, ওই উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক ডা. জাহিদ হাসান লঙ্কর, কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান পাটোয়ারী, স্বাস্থ্য সেবিকা কুলসুম বেগম ও পরশমনী।
মামলা দায়ের পর আদালত মামলাটি এজাহার হিসাবে গ্রহন পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহনেরসহ আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেছে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে।
আদালতে দাখিলকৃত মামলায় বাদি মিজানুর রহমান বলেন, আসামীরা আমার স্ত্রী সুমি বেগমকে ৬মাসে অস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি ইনজেকশন পুশ করার কথা বলে গত ১২ মার্চ জলঢাকা পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে স্থায়ী বন্ধাকরণ করে। এতে স্ত্রী সুমি বেগম শারীরিক ও মানষিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে বর্তমানে জলঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বাদী আরো অভিযোগ করে বলেন আমাদের চার বছরের বিবাহিত জীবনে আড়াই বছরের একটি কন্যা সন্তার রয়েছে। আগামীতে স্ত্রীর গর্ভে একটি পুত্র সন্তান আসা করেন। কিন্তু আসামীদের এমন কর্মকান্ডে আমাদের স্বামী-স্ত্রীকে একটি পুত্র সন্তানের আশা হতে বঞ্চিত করেছে। তাই বাদী আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ভাবে বিচার দাবি করেন মিজানুর।