আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ধর্ষনের ঘটনা অব্যহত ভারতে। ফের উত্তরপ্রদেশের ঘটনা। গতকাল বৃহস্পতিবার গুরগাঁওয়ের একটি গেস্টহাউসে ১৭ বছরের এক মার্কিন কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ। অভিযুক্ত ২১ বছরের এক যুবক। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের সঙ্গে ওই কিশোরীর আলাপ হয়েছিল সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের মাধ্যমে।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরী নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার মা গুরগাঁওয়ের একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরতা। আট মাস আগে আমেরিকা থেকে ভারতে এসেছিলেন তিনি। তারপরই ওই অভিযুক্তের সঙ্গে আলাপ হয় তার। পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক কয়েকদিন আগে ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে নিয়ে সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ গুরগাঁওয়ের সেক্টর ৩৮-এর বালাজী গেস্ট হাউসে পৌঁছোয়। সেই গেস্ট হাউসের সিসিটিভি ফুটেজে তাদের ঢোকা এবং বেরোনোর প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, এরপর ওই কিশোরীকে বাড়ি পৌঁছে দেয় ওই অভিযুক্ত যুবক। বাড়ি ফেরার সময় তার হাঁটতে খুবই অসুবিধা হয় বলে জানিয়েছেন মেয়েটি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরীর মা বাড়ি ফিরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় যন্ত্রণায় ছটফট করতে দেখে এব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রথমে বলতে না চাইলেও পরে কান্নায় ভেঙে পরে ওই মেয়েটি। কিশোরী স্বীকার করে নেন, ওই অভিযুক্ত তাকে ধর্ষণ করেছে।
এরপরই দিল্লির এইমস্-এ ওই কিশোরীকে ভর্তি করেন তার মা। মেডিকেল পরীক্ষায় মেয়েটির ধর্ষণের প্রমাণ মেলে। এরপরই গুরগাঁও থানায় নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, কিশোরীটি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে যেন খুব কঠোর শাস্তি দেওয়া না হয়। ফেসবুকে আলাপ হওয়া ওই যুবকের সম্পর্কে, সে দিল্লির বাসিন্দা এটুকু ছাড়া অন্য কোন তথ্য দিতে পারেননি ওই কিশোরী। তবে ওই গেস্ট হাউসে যে প্রায়ই যাতায়াত ছিল ওই যুবকের, এব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। তাছাড়া ওই মেয়েটিকে অভিযুক্ত যে মোবাইল নম্বর দিয়েছিল সেটিও সুইচ অফ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাইবার ক্রাইম সেল টিম ওই নম্বরের সূত্র ধরে অভিযুক্তর খোঁজে শুরু করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।