• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মরিচ চাষে ফুলবাড়ীর চরাঞ্চলের কৃষকরা স্বাবলম্বী

photoফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার চরের এ বছর ২০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে।মরিচ আবাদ করে দিন বদলে দিয়েছে ধরলার তীরবর্তী চরাঞ্চলের অভাবি মানুষের জীবন জীবিকা। । এ চর গুলোতে ভরে গেছে লাল মরিচের ক্ষেতের সমাহার। বিক্রি করে অনেকে হয়েছে স্বাবলম্বী। এবারে মরিচের দাম ভালো পাওয়ায় বেজায় খুশি হয়েছে কৃষক।
কৃষি বিভাগ জানায়, ১৫টি চর গ্রামে এখন ‘মরিচ আরত’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। শীতে ধরলার বুকে জেগে ওঠে গাজির চর, কলির চর, খোকার চর, সোনাইকাজির চর, চর প্যাচাই, যতিইন্দ্র নারায়ন, টুংটুঙ্গির চর, মেকলির চর, বুড়ির চর, চর ধনীরাম ,চর বড়লই, রাঙ্গামাটির চর,বাঘখাওয়ার চর। এখন চরগুলো সবুজের ঢেউয়ে ভরে গেছে ক্ষেত লাগানোর জন্য। থোকায় থোকায় দেখা দিয়েছে মরিচ । প্রতি বছর অন্যান্য আবাদের সাথে পাল্লা দিযেছে এভাবেই চরে মরিচের চাষ। এখানকার উৎপাদিত মরিচ এখন দেশের ঢাকা, যশোর ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যান পাইকাররা।
চরাঞ্চলের যাওয়ার পথে চরের মরিচক্ষেতের সবুজের সমারোহ নজর কাড়ে। যেখানেই চোখ যায়, মনে হয় যেন, সবুজ গালিচা বিছানো হয়েছে ধরলার বালুচরে।নারী-পুরুষ সবাই মিলে মনের আনন্দে ক্ষেতের পরিচর্যাসহ মরিচ তুলতে ব্যস্ত। ঝাউকুটি চরের মরিচ চাষি আয়নাল, রফিকুল ও জুরাইন জানান, মরিচ চাষ করে তারা শুধু নিজেই দারিদ্র্যতা দুর করেন নি, বরং অনেকেরই আয়ের পথ খুলে দিয়েছেন। তারা আরও বলেন, এবারে ১৪শ থেকে ১৬শ টাকা মণে বিক্রি করছে মরিচ।
মরিচ চাষকে ঘিরে ফুলবাড়ীর বালার হাটে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী বাজার। সপ্তাহে দুই দিন বসে হাট। উপজেলার গংগার হাট, খড়িবাড়ি, বড়ভিটা ও কুলাঘাট বাজারেও মরিচ বিক্রি হয়। ঢাকা, কুষ্টিয়া ও যশোর থেকে আসা পাইকাররা এসব বাজার থেকে মরিচ কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যান। অনেকে চরে গিয়ে সরাসরি ক্ষেত থেকে মরিচ কেনেন। বর্তমানে বালার হাট বাজারে আসা কুষ্টিয়ার ব্যবসায়ী সোলায়মান হক জানান, তিন বছর ধরে তিনি এখানকার মরিচ ক্রয় করে নিয়ে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করেন।
নাওডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসা জানান, প্রতি বছর আশ্বিন-কার্তিক মাসে যখন রংপুর অঞ্চলে কাজের অভাব দেখা দেয়, মরিচের আবাদ নিয়ে ধরলা ভাঙ্গা ফুলবাড়ী তখন থাকে কর্মমুখর।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রশীদ জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় মরিচের আবাদ ভাল হয়েছে। ফুলবাড়ীর মরিচ দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ