• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মির্জাপুরে ভূমিতে দীর্ঘ ফাটল, আতঙ্ক

Land-Flaw-BM02-e1428167515523টাঙ্গাইল: মির্জাপুর উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত আজগানা ইউনিয়নের তেলিনা গ্রামে প্রায় চারশ গজ দীর্ঘ ফাটল দেখা দিয়েছে। ওই ফাটল দেখার জন্য এলাকার কৌতুহলী মানুষ দিনভর ভিড় করছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে ফাটল থেকে শিশুদের দূরে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে ।

এলাকাবাসী জানান, গত ১ এপ্রিল বিকেলে বৃষ্টির পর ওই গ্রামের আব্দুল লতিফ প্রথমে ফাটলটি দেখতে পান। পরে তিনি তার স্ত্রী নাসিমা বেগমকে ডেকে তা দেখান। নাসিমা বেগম ওই ফাটলে কৌতুহলবশত নেমে পড়লে তার কোমর পর্যন্ত দেবে যায়। ঘটনা জানাজানি হলে ওই স্থানে গ্রামবাসী ভিড় জমান।

তেলিনা গ্রামের রফিক উদ্দিন জানান, ফাটলটি দিয়ে নিচের দিকে ২০-২৫ ফুট লম্বা বাঁশ প্রবেশ করানো যাচ্ছে। একই গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়া নামে এক প্রবীণ ব্যক্তি জানান, ওই স্থানটির মাটি শত বছর আগে থেকে একই রকম আছে। ফাটলে টর্চের আলো প্রবেশ করালে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়।

মির্জাপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গ্রামটির রফিকের চালা নামক স্থানে একটি কাঠবাগানে প্রায় একফুট পাশে ফাটলটি দেখার জন্য এলাকার লোক ভিড় করেন। আঁকাবাঁকা ফাটলটি কাঠবাগানের পূর্বদিকে প্রায় সাড়ে তিনশ গজ এবং উত্তর দিকে প্রায় ৫০ গজ বিস্তৃতি ঘটেছে। যা উত্তর-পূর্বদিকে খোরশেদ মিয়ার ঘর পর্যন্ত বিস্তৃতি হয়েছে।

গ্রামটির সাবেক সেনা সদস্য আব্দুল মালেক আকন্দ বলেন, মাটির নিচে গ্যাসের চাপের কারণে ওই স্থানে ফাটল ধরতে পারে।

খবর পেয়ে মির্জাপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো. সেলিম রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি এলাকার শিশু-কিশোরদের ফাটলের স্থানে না যেতে মৌখিক পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, গ্রামটির তিনদিক বিল রয়েছে। ভৌগোলিক বিবেচনায় এখানে প্রাকৃতিক গ্যাস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই গ্যাসের চাপে মাটি ফেটে গেছে বলে তার ধারণা। যা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ