• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রাজারহাটে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজে ব্যাপক অনিয়ম

Oniরফিকুল ইসলাম, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্বাবধানে রাজারহাট-তিস্তা সড়কটি মেরামতের জন্য ১৬ লাখ টাকার নির্মিত কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরজমিনে জানা যায়, সম্প্রতি ই-টেন্ডার-এর মাধ্যমে রাজারহাট-তিস্তা সড়কটি মেরামতের জন্য কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগ খোলা দরপত্র (ওটিএম) আহ্বান করে। এতে অস্বাভাবিক নিম্ন দরে কুড়িগ্রামের ‘টেস্টিনিকেতন’ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পান। ১২ ফুট প্রস্থ সাড়ে ৩ কি. মি. মেরামতের কাজটি শুরু হয় গত ৪ এপ্রিল। কাজটি কোথাও ১২ কোথাও ৭ মিলিমিটারের সিলকোর্ট করার কথা থাকলেও পুরো কাজটি ৭ মিলি সিলকোর্ট করার অভিযোগ উঠেছে। শতভাগ এলসি (ভাঙ্গা) পাথর দিয়ে মেরামতের কথা থাকলেও পুরো কাজটিতে পি পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। এদিকে গ্রেডেশন ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজস করে যেনতেনভাবে কাজটি সম্পন্ন করার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৫ ও ১৬ এপ্রিল সড়কটি মেরামতের কাজটি সাংবাদিকরা পরিদর্শনে গিয়ে কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করেও দায়িত্ব প্রাপ্ত এসও মো. মোজাম্মেল হকের দেখা মেলেনি এবং কিছু কিছু চেইনএজে কাজ না করে সাড়ে ৩ কি. মি. রাস্তা মেরামতের কাজ গত ১৭ এপ্রিল সম্পন্ন করার তথ্য পাওয়া গেছে এবং ওইসব স্থান বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসও মো. মোজাম্মেল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হামিদুল হকের ০১৭১১-৭৮৭৯০৫ নম্বরের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে সরকারের বিভিন্ন ধরণের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন, মেরামত কাজ শেষ হলেও এখনো বিল দেয়া হয়নি। আগামী দু’একদিনের মধ্যে কাজটি পরিদর্শন পূর্বক বিল প্রদান করা হবে। আর দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের বিষয়ে কথা হলে তিনি বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ