• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

রাজারহাটে বাদাম বিক্রেতা কামরুলের উত্থান…

Rajarhat Kurigram News Pic-22-04-15রফিকুল ইসলাম, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) : পলিথিন বন্ধে বিভিন্ন বিকল্প ব্যবস্থা ইতিমধ্যে নেয়া হলেও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পরিবেশ দুষণকারী নিষিদ্ধ এ পলিথিন ব্যবহার কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। দিন দিন বেড়েই চলছে পলিথিনের ভয়াবহতা। পাশাপাশি নকল প্রসাধনীর ব্যবসা করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছে এক যুগ পূর্বের ফেরী করে ডালায় বাদাম বিক্রেতা কামরুল ইসলাম ওরফে পলিথিন কামরুল (৩৫)। উপজেলা সদর মধ্য বাজারে অবস্থিত ‘বেলাল ভ্যারাইটি ষ্টোর’-এর অন্তরালে প্রসাধনী ব্যবসার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন ব্যবসা করে এখন সে গাড়ী-বাড়ি, দোকান-গোডাউনঘরসহ অঢেল টাকার মালিক বনে গেছে। প্রতি সপ্তাহে রাজধানী ঢাকা থেকে ট্রাক ভাড়া করে রাতের আঁধারে শত শত মণ নিষিদ্ধ পলি ব্যাগ ও নকল প্রসাধনী সামগ্রী আমদানী করে পার্শ্ববর্তী উলিপুর, চিলমারী ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে নিয়মিতভাবে তার নিজস্ব নিয়োগ করা শ্রমিক দিয়ে পাইকারীভাবে এসব পণ্য সরবরাহ করে আসছে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এ ব্যবসা করে কামরুল ইসলাম বর্তমানে কয়েক লাখ টাকার সম্পদ বানিয়েছেন। সম্প্রতি তার দোকান সংলগ্ন চাউল শেডে বস্তায় মোড়ানো প্রায় ২০ হাজার পলি ব্যাগ পাচারকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তৎকালীন রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুর রহমান ওইসব পলিব্যাগ জব্দ করে ধ্বংস করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি জানা ছিল না, এখন অবগত হলাম। দ্রুতই এসব রোধকল্পে অভিযান পরিচালনা করা হবে। ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম এর সঙ্গে তার ০১৭৪৯৫৯৯৩৬১ নম্বরের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ভাই বর্তমানে আমি এসব ব্যবসা করছি না। আগে করছি, এটা ঠিক। কিন্তু বর্তমানে একদম বন্ধ করেছি এবং সাক্ষাতে কথা হবে বলে ফোনটি কেটে দেন।

উল্লেখ্য, বর্তমান রাজারহাট উপজেলা সদর বাজারটিতে পানি ও ময়লা নিস্কাশনের জন্য সরকারি রাজস্ব খাতের লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেনগুলো পলি ব্যাগে ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বাজারটির চার ভাগের তিন ভাগই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ