সিসি নিউজ: শনিবার দুপুরে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে দু’দফায় ভূকম্পন অনুভুত হয়। ভূমিকম্পের সময় রাজধানীতে ভবনগুলো থেকে লোকজন আতঙ্কে নেমে আসেন। ভূমিকম্পে রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরে কয়েকটি ভবন হেলে পড়ার খবর মিলেছে। তবে সারাদেশে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
অবহাওয়া দপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, শনিবার দুপুর ১২টা ১১ মিনিট ২৭ সেকেন্ডে প্রথম দফা ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৫। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৭৪৫ কিলোমিটার দূরে নেপালে। প্রথম দফা ভূমিকম্পে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এর প্রায় আধাঘণ্টা পর দিতীয় দফা ভূমিকম্প হয়। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই ভূমিকম্পের সময়ও লোকজন ভবন ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
ভূমিকম্পে ঢাকা, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, চাঁদপুর, বরিশাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সাভার, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, রাজশাহী, নীলফামারী, বগুড়ায় দেড় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। এ সব এলাকায় বেশ কয়েকটি ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূমিকম্পের আতঙ্কে আবাসিক হল থেকে অনেক ছাত্র লাফিয়ে পড়েন। এর মধ্যে একজনের আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডে তিনটি ও ঈশ্বরদী ইপিজেডে দুইটি ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রীন কোম্পানীর শ্রমিকদের আজকের দিনটি ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্।
ভূমিকম্পের সময় রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা মতিঝিলে বড় বড় ভবন থেকে লোকজনকে তাড়াহুড়ো করে নামতে দেখা গেছে। সবার মনের মধ্যেই ছিল আতঙ্ক। লোকজন নিজস্ব কর্মস্থল ছেড়ে ভবন সংলগ্ন রাস্তায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।