• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কাজের সন্ধানে ওরা ……….

11রুকুনুজ্জামান বাবুল, পার্বতীপুর: ছবিটি দেখে মনে হবে ঈদে ঘরে ফেরার কিংবা বিশ্ব ইস্তেমা থেকে ফেরার দৃশ্য।  আসলে তা নয়- কাজের সন্ধানে ট্রেনযোগে উত্তরের কৃষি শ্রমিকরা ছুটছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে। ট্রেন ভেতরে পা রাখার মত কোন জায়গা নেই। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে যাচ্ছে রোজাগারের আসায়।

জানা গেছে, বৃহত্তর রংপুর বিভাগের কয়েকটি জেলার মানুষ ঠিক এসময় প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও কাজের সন্ধানে কাস্তেহাতে, ব্যাগে কিছু কাপড়-চোপড় নিয়ে ছুটে যান দক্ষিনে। কোথাও কোথাও বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে আবার কোথাও কোথাও এক সপ্তাহের মধ্যে কাট মাড়াই শুরু হতে পারে। ডোমারের বাজারের আজগার আলী বলেন, গত বছর সাস্তাহার ও নওগাঁয় যে বাড়ীতে কাজ করেছিল সেই বাড়ীর মালিকের মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে এসেছি। ফোন করিছিতো তাই যেতে বলেছে। আজগারের দলের লোক সংখ্যা ১২ জন। প্রতিদিন গড়ে তারা খরচ বাদে ৬ থেকে ৭ শত টাকা আয় করতে পারবে। আর এতে তাদের সংসারের অভাব কিছুটা হলে পুরণ হবে ।

সোমবার সকাল সোয়া ১০টায় পার্বতীপুর রেল ষ্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফরমে কথা হয় নীলফামারী জেলার চিলাহাটি এলাকার রফিকুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, পিতা-মাতা ও সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে অর্থের আশায় শরির খেটে রোজগার করতে যাচ্ছি। আমার পিতা-মাতা বৃদ্ধ মানুষ। তাদের প্রতি সন্তান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার কাছে ফরজ। সেই সাথে আমার সন্তানকে লেখাপড়া শেখামু ভাই। এভাবেই অনেকেই বলেছেন তাদের দুঃখ দূর্দশার কথা। তা ছাড়া এলাকায় কাজ না থাকায় তাই এ সময় তারা দলবেধেঁ উত্তরের কৃষি মজুররা ছুটে যাচ্ছে দক্ষিনে। ফুলবাড়ী, বিরামপুর, পাঁচবিবি, জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, তিলকপুর, সান্তাহার, আদমদীঘি, আত্রাই, নওগাঁ, নাটোর প্রভৃতি এলাকায়। অনুসন্ধান করে জানা যায়, নীলফামারী অঞ্চলের কৃষি শ্রমিকদের জন্য সহজ মাধ্যম হচ্ছে রেল পথ। এ সকল শ্রমিকেরা ২৪ ডাউন খুলনাগামী মেইল ট্রেন, ৩২ ডাউন উত্তরা এক্সপ্রেস, আন্তঃনগর সীমান্ত, বরেন্দ্র ও রুপসা ট্র্র্র্রেনে ভ্রমন করে থাকে। কৃষি শ্রমিকেরা জানান,দক্ষিনে আগাম জাতের ধান কাটা মাড়া শুরু হয়। আর সেখানকার কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে তাদের নিজ এলাকায়ও ধান কাটা মাড়াই শুরু হওয়ার সময় হয়। জাহিদ হোসেন জানান, এখন আর কোন মানুষই বেকার বসে থাকেনা। ধান কাটা মাড়াই শেষ হলে রিক্সা ভ্যান চালিয়ে অথবা হাট বাজারে দোকান কিংবা ফেরি করেও জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ